লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোলারদের নৈপুণ্যে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

ব্যাটিংয়ে ফের ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। বি গ্রুপের রানার্সআপ হওয়া বাংলাদেশ আগামী বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে।

ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে শারমিন ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন, যা ছিল দলের সর্বোচ্চ। এছাড়া নিগার সুলতানা ২৩ রান এবং নাহিদা আক্তার ১৬ রান সংগ্রহ করেন।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরব আমিরাত শুরু থেকেই মারুফা আক্তারের তোপের মুখে পড়ে। ইনিংসের চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে মারুফা যথাক্রমে অধিনায়ক ইশা ওঝা এবং সামাইরা ধারনিধারকাকে সাজঘরে ফেরান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে আমিরাত মাত্র ১৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

পাওয়ার প্লের পরও বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন। দলীয় ২২ রানে রাবেয়া খাতুন রিনিথা রাজিথকে আউট করেন। এরপর তীর্থ সাথিস ও হিনা জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও সুলতানা খাতুন ২৪ বলে ১১ রান করা তীর্থকে ফিরিয়ে ১৪ রানের জুটি ভেঙে দেন। দুই রান পর নাহিদা আক্তার লাবন্য কেনিকে ফেরান। দলীয় ৫৬ রানে হেনা ১৮ রান করে আউট হওয়ার পর আরব আমিরাতের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

ম্যাচটিতে মারুফা আক্তার তার কোটার ৪ ওভার বল করে ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া রাবেয়া খাতুন ৩টি এবং নাহিদা আক্তার ২ উইকেট লাভ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ হওয়ার আশঙ্কা

বোলারদের নৈপুণ্যে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে ফের ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। বি গ্রুপের রানার্সআপ হওয়া বাংলাদেশ আগামী বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে।

ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে শারমিন ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন, যা ছিল দলের সর্বোচ্চ। এছাড়া নিগার সুলতানা ২৩ রান এবং নাহিদা আক্তার ১৬ রান সংগ্রহ করেন।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরব আমিরাত শুরু থেকেই মারুফা আক্তারের তোপের মুখে পড়ে। ইনিংসের চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে মারুফা যথাক্রমে অধিনায়ক ইশা ওঝা এবং সামাইরা ধারনিধারকাকে সাজঘরে ফেরান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে আমিরাত মাত্র ১৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

পাওয়ার প্লের পরও বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন। দলীয় ২২ রানে রাবেয়া খাতুন রিনিথা রাজিথকে আউট করেন। এরপর তীর্থ সাথিস ও হিনা জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও সুলতানা খাতুন ২৪ বলে ১১ রান করা তীর্থকে ফিরিয়ে ১৪ রানের জুটি ভেঙে দেন। দুই রান পর নাহিদা আক্তার লাবন্য কেনিকে ফেরান। দলীয় ৫৬ রানে হেনা ১৮ রান করে আউট হওয়ার পর আরব আমিরাতের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

ম্যাচটিতে মারুফা আক্তার তার কোটার ৪ ওভার বল করে ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া রাবেয়া খাতুন ৩টি এবং নাহিদা আক্তার ২ উইকেট লাভ করেন।