লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

ভোলার লালমোহন উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বারবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কিশোরের নাম মো. সাব্বির হোসেন (১৭)। সে উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটদরুণ এলাকার পোনার বাড়ির বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে এবং সরকারি শাহবাজপুর কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে ওই গৃহবধূর সঙ্গে সাব্বিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে সাব্বির তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং সেই মুহূর্তের অশ্লীল ভিডিও গোপনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে বারবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অভিযুক্ত কিশোর সাব্বির আত্মগোপনে রয়েছে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ জানান, এই ঘটনার জেরে তার স্বামী তাকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে সংসার হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন তিনি। নিজের সম্মান ও সংসার রক্ষায় সাব্বিরকেই এখন তাকে বিয়ে করতে হবে বলে দাবি করেছেন ওই গৃহবধূ। তিনি এ বিষয়ে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত সাব্বিরের বাবা মো. বজলুর রহমান বলেন, স্থানীয় নেতারা ঘটনাটি মীমাংসা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফয়সালায় যে সিদ্ধান্ত হবে, তা তিনি মেনে নেবেন। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরও চালডালের কর্মীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া

ভোলায় ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বারবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কিশোরের নাম মো. সাব্বির হোসেন (১৭)। সে উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটদরুণ এলাকার পোনার বাড়ির বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে এবং সরকারি শাহবাজপুর কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে ওই গৃহবধূর সঙ্গে সাব্বিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে সাব্বির তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং সেই মুহূর্তের অশ্লীল ভিডিও গোপনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে বারবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অভিযুক্ত কিশোর সাব্বির আত্মগোপনে রয়েছে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ জানান, এই ঘটনার জেরে তার স্বামী তাকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে সংসার হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন তিনি। নিজের সম্মান ও সংসার রক্ষায় সাব্বিরকেই এখন তাকে বিয়ে করতে হবে বলে দাবি করেছেন ওই গৃহবধূ। তিনি এ বিষয়ে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত সাব্বিরের বাবা মো. বজলুর রহমান বলেন, স্থানীয় নেতারা ঘটনাটি মীমাংসা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফয়সালায় যে সিদ্ধান্ত হবে, তা তিনি মেনে নেবেন। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।