লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের দুই প্রবাসীর মরদেহ গ্রামে পৌঁছেছে

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুই প্রবাসী মোহাম্মদ শামীম ও সাব্বির হোসেনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো ঢাকায় পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নিহতদের নিজ গ্রামে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রিয়জনদের মরদেহ ফিরে পাওয়ার খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

নিহত মোহাম্মদ শামীম নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের জাকের আলীর ছেলে। অন্যদিকে সাব্বির হোসেন একই ইউনিয়নের খাজুরা শ্রীপুর পাড়া গ্রামের রাব্বানির ছেলে। পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার দুপুরে মরদেহ গ্রামে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্থানীয় মাঠে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৯ আগস্ট রিয়াদের মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় অবস্থিত ওই সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্তকরণে বেশ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এর আগে আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম দফায় নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে ২৭ আগস্ট তাদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। তবে শামীম ও সাব্বিরসহ বাকি সাতজনের পরিচয় শনাক্তে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘ আইনি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট নিশ্চিত হওয়ার পর অবশেষে তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯টি কলেজের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের দুই প্রবাসীর মরদেহ গ্রামে পৌঁছেছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুই প্রবাসী মোহাম্মদ শামীম ও সাব্বির হোসেনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো ঢাকায় পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নিহতদের নিজ গ্রামে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রিয়জনদের মরদেহ ফিরে পাওয়ার খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

নিহত মোহাম্মদ শামীম নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের জাকের আলীর ছেলে। অন্যদিকে সাব্বির হোসেন একই ইউনিয়নের খাজুরা শ্রীপুর পাড়া গ্রামের রাব্বানির ছেলে। পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার দুপুরে মরদেহ গ্রামে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্থানীয় মাঠে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৯ আগস্ট রিয়াদের মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় অবস্থিত ওই সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্তকরণে বেশ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এর আগে আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম দফায় নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে ২৭ আগস্ট তাদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। তবে শামীম ও সাব্বিরসহ বাকি সাতজনের পরিচয় শনাক্তে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘ আইনি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট নিশ্চিত হওয়ার পর অবশেষে তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলো।