লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধ পণ্যের প্রচার: তিন বলিউড তারকার বিরুদ্ধে এফডিএ-র নোটিশ

ভারতের মহারাষ্ট্রে নিষিদ্ধ পণ্য ‘পান মসলা’ পরোক্ষভাবে প্রচারের অভিযোগে তিন বলিউড তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন এবং টাইগার শ্রফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে রাজ্যটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। তুকারাম মুন্ধে পরিচালিত এই খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে নয় পৃষ্ঠার একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশে অভিনেতাদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়াতে এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রচারমূলক কনটেন্ট ও পোস্ট মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে পান মসলা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিমল’-এর এলাচির একটি বিজ্ঞাপনে এই তিন অভিনেতাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এফডিএ-র নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আপাতদৃষ্টিতে এটি ‘বিমল এলাচি’র বিজ্ঞাপন মনে হলেও মূলত বিমল ব্র্যান্ডটি পান মসলার সঙ্গেই ব্যাপকভাবে পরিচিত। মহারাষ্ট্রে পান মসলা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বণ্টন ও বিক্রি সম্পূর্ণ আইনত নিষিদ্ধ। কর্তৃপক্ষের মতে, বিজ্ঞাপনে বিমল নামটির এমন ব্যবহার ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ পণ্যের মূল ব্র্যান্ড প্রচার করতে সাহায্য করে।

ভুল তথ্যভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার কারণে রাজ্যটির ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া তাদের যেকোনো পণ্যের প্রচারণায় সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে। এফডিএ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে এই তারকাদের কাছে তাদের স্পন্সরশিপ চুক্তিপত্র, প্রচারের বিবরণ এবং পণ্যটি প্রচারের আগে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের প্রমাণাদি তলব করেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালে বিমল এলাচির একই ধরনের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। পরবর্তী সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং বিজ্ঞাপনের সমুদয় পারিশ্রমিক জনকল্যাণমূলক কাজে দান করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তুকারাম মুন্ধে চালিত এই খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পাঠানো ৯ পৃষ্ঠার নোটিশে অভিনেতাদের অবিলম্বে এই বিজ্ঞাপনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি তাদের যেকোনো পণ্যের প্রচারণায় সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষিদ্ধ পণ্যের প্রচার: তিন বলিউড তারকার বিরুদ্ধে এফডিএ-র নোটিশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রে নিষিদ্ধ পণ্য ‘পান মসলা’ পরোক্ষভাবে প্রচারের অভিযোগে তিন বলিউড তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন এবং টাইগার শ্রফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে রাজ্যটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। তুকারাম মুন্ধে পরিচালিত এই খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে নয় পৃষ্ঠার একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশে অভিনেতাদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়াতে এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রচারমূলক কনটেন্ট ও পোস্ট মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে পান মসলা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিমল’-এর এলাচির একটি বিজ্ঞাপনে এই তিন অভিনেতাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এফডিএ-র নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আপাতদৃষ্টিতে এটি ‘বিমল এলাচি’র বিজ্ঞাপন মনে হলেও মূলত বিমল ব্র্যান্ডটি পান মসলার সঙ্গেই ব্যাপকভাবে পরিচিত। মহারাষ্ট্রে পান মসলা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বণ্টন ও বিক্রি সম্পূর্ণ আইনত নিষিদ্ধ। কর্তৃপক্ষের মতে, বিজ্ঞাপনে বিমল নামটির এমন ব্যবহার ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ পণ্যের মূল ব্র্যান্ড প্রচার করতে সাহায্য করে।

ভুল তথ্যভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার কারণে রাজ্যটির ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া তাদের যেকোনো পণ্যের প্রচারণায় সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে। এফডিএ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে এই তারকাদের কাছে তাদের স্পন্সরশিপ চুক্তিপত্র, প্রচারের বিবরণ এবং পণ্যটি প্রচারের আগে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের প্রমাণাদি তলব করেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালে বিমল এলাচির একই ধরনের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। পরবর্তী সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং বিজ্ঞাপনের সমুদয় পারিশ্রমিক জনকল্যাণমূলক কাজে দান করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তুকারাম মুন্ধে চালিত এই খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পাঠানো ৯ পৃষ্ঠার নোটিশে অভিনেতাদের অবিলম্বে এই বিজ্ঞাপনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি তাদের যেকোনো পণ্যের প্রচারণায় সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে।