লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচদিন পর স্বাভাবিক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ

টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে এই রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। রোববার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরুর মধ্য দিয়ে এই রুটে পুনরায় যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যটক এক্সপ্রেসের পর এখন থেকে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ঢাকা থেকে নির্ধারিত অন্যান্য ট্রেনও এই রুটে যাত্রী পরিবহন করবে। তবে রোববার সকালে নতুন করে ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারমুখী সৈকত এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করতে পারেনি। পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতি হলে পর্যটক এক্সপ্রেসকে প্রথম ট্রেন হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. হারুনুর রশিদ জানান, টানা বর্ষণে জান আলী হাট স্টেশনের পূর্ব পাশে শমসের পাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার রেলপথ পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। সেখানে পানির উচ্চতা ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত পৌঁছালেও রেলের লোকোমোটিভের ট্রাকশন মোটরের জন্য সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি পানির নির্দেশনা রয়েছে। জরুরি প্রকৌশলগত ব্যবস্থা এবং লাইন লিফটিংয়ের মাধ্যমে রেললাইনকে পানির স্তর থেকে অন্তত ১০ ইঞ্চি ওপরে উন্নীত করার পর ট্রেন চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রেললাইন তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী প্রবাল এক্সপ্রেস মাঝপথে আটকা পড়েছিল। এর মধ্যে পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয় এবং প্রবাল এক্সপ্রেস জান আলী হাট পর্যন্ত গিয়ে যাত্রা শেষ করে। বাতিল হওয়া ট্রেনের টিকিটের অর্থ যাত্রীদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের দাবানলে নতুন আতঙ্ক ‘ফায়ার ক্লাউড’, সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা

পাঁচদিন পর স্বাভাবিক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে এই রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। রোববার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরুর মধ্য দিয়ে এই রুটে পুনরায় যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যটক এক্সপ্রেসের পর এখন থেকে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ঢাকা থেকে নির্ধারিত অন্যান্য ট্রেনও এই রুটে যাত্রী পরিবহন করবে। তবে রোববার সকালে নতুন করে ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারমুখী সৈকত এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করতে পারেনি। পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতি হলে পর্যটক এক্সপ্রেসকে প্রথম ট্রেন হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. হারুনুর রশিদ জানান, টানা বর্ষণে জান আলী হাট স্টেশনের পূর্ব পাশে শমসের পাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার রেলপথ পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। সেখানে পানির উচ্চতা ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত পৌঁছালেও রেলের লোকোমোটিভের ট্রাকশন মোটরের জন্য সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি পানির নির্দেশনা রয়েছে। জরুরি প্রকৌশলগত ব্যবস্থা এবং লাইন লিফটিংয়ের মাধ্যমে রেললাইনকে পানির স্তর থেকে অন্তত ১০ ইঞ্চি ওপরে উন্নীত করার পর ট্রেন চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রেললাইন তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী প্রবাল এক্সপ্রেস মাঝপথে আটকা পড়েছিল। এর মধ্যে পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয় এবং প্রবাল এক্সপ্রেস জান আলী হাট পর্যন্ত গিয়ে যাত্রা শেষ করে। বাতিল হওয়া ট্রেনের টিকিটের অর্থ যাত্রীদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।