লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে হারালো ইংল্যান্ড

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড, যার মাধ্যমে টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই ফরাসি রক্ষণভাগকে চাপে রাখে ইংল্যান্ড। মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে একক প্রচেষ্টায় বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডেক্লান রাইস। ১২ মিনিটে কায়ো সাকার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও ১৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংলিশরা। এবার ডেক্লান রাইসের নিখুঁত ক্রসে হেডের মাধ্যমে গোল করেন এজরা কনসা।

ম্যাচের ৩৭ মিনিটে আর্সেনাল তারকা বুকায়ো সাকা প্রতি-আক্রমণ থেকে মার্কাস রাশফোর্ডের সাথে দারুণ বোঝাপড়ায় গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কনসার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন সাকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দল প্রথমার্ধে ৪ গোল হজম করল। এছাড়া ১৯৯৪ বিশ্বকাপে সুইডেন-বুলগেরিয়া ম্যাচে ৪-০ স্কোরের যে রেকর্ড ছিল, ইংল্যান্ড প্রথমার্ধেই সেই রেকর্ডের সমতুল্য অবস্থানে পৌঁছে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্রপট দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ৫২ মিনিটে এমবাপ্পের গোল দিয়ে ব্যবধান কমানোর সূচনা হয়। এর দুই মিনিট পর এমবাপ্পের পাস থেকে বারকোলা গোল করলে স্টেডিয়ামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার মাতো গাস্তো বক্সে জেড স্পেনসকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। জুড বেলিংহাম নিজে শট না নিয়ে বুকায়ো সাকাকে হ্যাটট্রিক করার সুযোগ করে দেন। ৮৭ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে (৯০+৬) দেম্বেলে গোল করলেও শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে জুড বেলিংহাম গোল করে ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। টুর্নামেন্টের অন্যতম স্মরণীয় এই ম্যাচে ১০ গোলের রোমাঞ্চ উপহার পেলেন দর্শকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকৃবিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও আবাসন সমস্যা সমাধানে ইউজিসি’র আশ্বাস

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে হারালো ইংল্যান্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড, যার মাধ্যমে টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই ফরাসি রক্ষণভাগকে চাপে রাখে ইংল্যান্ড। মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে একক প্রচেষ্টায় বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডেক্লান রাইস। ১২ মিনিটে কায়ো সাকার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও ১৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংলিশরা। এবার ডেক্লান রাইসের নিখুঁত ক্রসে হেডের মাধ্যমে গোল করেন এজরা কনসা।

ম্যাচের ৩৭ মিনিটে আর্সেনাল তারকা বুকায়ো সাকা প্রতি-আক্রমণ থেকে মার্কাস রাশফোর্ডের সাথে দারুণ বোঝাপড়ায় গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কনসার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন সাকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দল প্রথমার্ধে ৪ গোল হজম করল। এছাড়া ১৯৯৪ বিশ্বকাপে সুইডেন-বুলগেরিয়া ম্যাচে ৪-০ স্কোরের যে রেকর্ড ছিল, ইংল্যান্ড প্রথমার্ধেই সেই রেকর্ডের সমতুল্য অবস্থানে পৌঁছে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্রপট দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ৫২ মিনিটে এমবাপ্পের গোল দিয়ে ব্যবধান কমানোর সূচনা হয়। এর দুই মিনিট পর এমবাপ্পের পাস থেকে বারকোলা গোল করলে স্টেডিয়ামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার মাতো গাস্তো বক্সে জেড স্পেনসকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। জুড বেলিংহাম নিজে শট না নিয়ে বুকায়ো সাকাকে হ্যাটট্রিক করার সুযোগ করে দেন। ৮৭ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে (৯০+৬) দেম্বেলে গোল করলেও শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে জুড বেলিংহাম গোল করে ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। টুর্নামেন্টের অন্যতম স্মরণীয় এই ম্যাচে ১০ গোলের রোমাঞ্চ উপহার পেলেন দর্শকরা।