লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রোয়েশিয়াকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে ইংল্যান্ডের নতুন ইতিহাস

উয়েফা নেশনস লীগের 'এ৩' গ্রুপে ক্রোয়েশিয়াকে তাদেরই মাটিতে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নতুন এক ইতিহাস গড়েছে ইংল্যান্ড। রিয়েকার স্তাদিয়ন রুয়াভিচে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে থ্রি লায়নদের কাছে পাত্তাই পায়নি স্বাগতিকরা। ঘরের মাঠে এটিই ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এই দাপুটে জয়ের পর ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট এবং +৮ গোল ব্যবধান নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে ইংলিশরা।

মাঠের লড়াইয়ে ৪১ বছর বয়সী লুকা মদরিচের নেতৃত্বাধীন ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ড ইংলিশ তরুণদের গতি ও শক্তির সামনে স্রেফ আত্মসমর্পণ করে। মাঝমাঠ ও আক্রমণে জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন এবং বুকায়ো সাকারা ছিলেন দুর্দান্ত। পুরো ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে কোনো কঠিন পরীক্ষার মুখেই ফেলতে পারেনি স্বাগতিকরা; কেবল ম্যাচের শেষ মিনিটে ইভান পেরিসিচের একটি দুর্বল শট সরাসরি তার গ্লাভসে জমা হয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় ইংল্যান্ড। মাত্র ৮ মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। এরপর ২১ মিনিটে বুদ্ধিদীপ্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম। ৩৮ মিনিটে দারুণ এক হেডারে দলের তৃতীয় গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা লক্ষ্যভেদ করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতির পরও ইংলিশদের আক্রমণের ধার কমেনি। ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করেন অধিনায়ক কেইন। এরপর ৬৮ মিনিটে কেইনের পাস থেকে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা, যার ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-০। ম্যাচের শেষভাগে ৮৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা মরগান রজার্স ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষককে একা পেয়ে নিখুঁত শটে দলের সপ্তম ও ঐতিহাসিক গোলটি সম্পন্ন করেন।

এর আগে ঘরের মাঠে ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বাজে হারের রেকর্ডটি ছিল ২০০৮ সালে, যখন তারা ইংল্যান্ডের কাছেই ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল। আর সব মিলিয়ে তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয় ছিল ২০১৮ সালে স্পেনের বিপক্ষে ৬-০ গোলের হার। এবার ঘরের মাঠে নিজেদের সেই পুরোনো রেকর্ড ভেঙে রিয়েকায় নতুন এক লজ্জার মুখোমুখি হলো ক্রোয়েশিয়া।

রিয়েকার স্তাদিয়ন রুয়াভিচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৮ মিনিটে অধিনায়ক কেইনের গোলে লিড নেয় ইংলিশরা। ২১ মিনিটে বেলিংহামের বুদ্ধিদীপ্ত ফিনিশিং এবং ৩৮ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ হেডারে ব্যবধান ৩-০ হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সফরকারীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ সরকারি মেডিকেল কলেজে চরম শিক্ষক ও অবকাঠামোর সংকট

ক্রোয়েশিয়াকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে ইংল্যান্ডের নতুন ইতিহাস

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

উয়েফা নেশনস লীগের 'এ৩' গ্রুপে ক্রোয়েশিয়াকে তাদেরই মাটিতে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নতুন এক ইতিহাস গড়েছে ইংল্যান্ড। রিয়েকার স্তাদিয়ন রুয়াভিচে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে থ্রি লায়নদের কাছে পাত্তাই পায়নি স্বাগতিকরা। ঘরের মাঠে এটিই ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এই দাপুটে জয়ের পর ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট এবং +৮ গোল ব্যবধান নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে ইংলিশরা।

মাঠের লড়াইয়ে ৪১ বছর বয়সী লুকা মদরিচের নেতৃত্বাধীন ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ড ইংলিশ তরুণদের গতি ও শক্তির সামনে স্রেফ আত্মসমর্পণ করে। মাঝমাঠ ও আক্রমণে জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন এবং বুকায়ো সাকারা ছিলেন দুর্দান্ত। পুরো ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে কোনো কঠিন পরীক্ষার মুখেই ফেলতে পারেনি স্বাগতিকরা; কেবল ম্যাচের শেষ মিনিটে ইভান পেরিসিচের একটি দুর্বল শট সরাসরি তার গ্লাভসে জমা হয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় ইংল্যান্ড। মাত্র ৮ মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। এরপর ২১ মিনিটে বুদ্ধিদীপ্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম। ৩৮ মিনিটে দারুণ এক হেডারে দলের তৃতীয় গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা লক্ষ্যভেদ করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতির পরও ইংলিশদের আক্রমণের ধার কমেনি। ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করেন অধিনায়ক কেইন। এরপর ৬৮ মিনিটে কেইনের পাস থেকে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা, যার ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-০। ম্যাচের শেষভাগে ৮৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা মরগান রজার্স ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষককে একা পেয়ে নিখুঁত শটে দলের সপ্তম ও ঐতিহাসিক গোলটি সম্পন্ন করেন।

এর আগে ঘরের মাঠে ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বাজে হারের রেকর্ডটি ছিল ২০০৮ সালে, যখন তারা ইংল্যান্ডের কাছেই ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল। আর সব মিলিয়ে তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয় ছিল ২০১৮ সালে স্পেনের বিপক্ষে ৬-০ গোলের হার। এবার ঘরের মাঠে নিজেদের সেই পুরোনো রেকর্ড ভেঙে রিয়েকায় নতুন এক লজ্জার মুখোমুখি হলো ক্রোয়েশিয়া।

রিয়েকার স্তাদিয়ন রুয়াভিচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৮ মিনিটে অধিনায়ক কেইনের গোলে লিড নেয় ইংলিশরা। ২১ মিনিটে বেলিংহামের বুদ্ধিদীপ্ত ফিনিশিং এবং ৩৮ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ হেডারে ব্যবধান ৩-০ হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সফরকারীরা।