লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডের গোল কি তারে লেগেছিল? ফিফার ব্যাখ্যায় যা জানা গেল

ইংল্যান্ড-নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ২-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলেও, ম্যাচটির একটি গোল নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নরওয়ের অভিযোগ ছিল, জুড বেলিংহামের করা ইংল্যান্ডের প্রথম গোলটির বিল্ডআপের সময় বল মাঠের ওপরের স্পাইডারক্যামের ঝুলন্ত তারে আঘাত করেছিল। নিয়ম অনুযায়ী, এমনটি ঘটলে খেলা সেখানেই থামিয়ে দেওয়ার কথা, কিন্তু রেফারি তা করেননি।

ঘটনাটি ঘটে প্রথমার্ধের শেষ দিকে, যখন নরওয়ের গোলকিপার ওরইয়ান নিলান্ড লম্বা করে কিক নেওয়ার পর বলটি ওপরে থাকা ক্যামেরার তারে লেগেছে বলে মনে হয়। বলটি মাটিতে পড়ার পরপরই বেলিংহাম গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। গোলের পরপরই নরওয়ের গোলকিপার নিলান্ড রেফারির কাছে গিয়ে ওপরের দিকে ইশারা করে বিষয়টি জানান। ডাগআউটে থাকা কোচ স্টেল সোলবাকেনও সহকারী রেফারির সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেন। এমনকি প্রথমার্ধ শেষে বিরতিতে যাওয়ার সময় নিলান্ড, আর্লিং হলান্ড এবং কোচ ফরাসি রেফারি ক্লেমঁ তুরপাঁর কাছে গিয়ে সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে ভিডিও শেয়ার করে বলটি তারে লেগেছে বলে দাবি তোলেন। তবে রেফারিরা কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং ভিএআর এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

অবশেষে এ বিষয়ে ফিফা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের ওই গোলের আগে বাতাসে থাকা বলের ভেতরে থাকা সেন্সরে (কানেক্টেড বল টেকনোলজি) কোনো অস্বাভাবিক কম্পন বা ‘হার্টবিট’ ধরা পড়েনি। ফলে বলটি তারে লেগেছে বা এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর আগে পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার একটি গোল বাতিলের সময় এই একই প্রযুক্তির সেন্সর ব্যবহার করে বলের স্পর্শ নিশ্চিত করা হয়েছিল, যেখানে খেলোয়াড়ের পায়ে বল লাগার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালির নৌপথ নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত

ইংল্যান্ডের গোল কি তারে লেগেছিল? ফিফার ব্যাখ্যায় যা জানা গেল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ইংল্যান্ড-নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ২-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলেও, ম্যাচটির একটি গোল নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নরওয়ের অভিযোগ ছিল, জুড বেলিংহামের করা ইংল্যান্ডের প্রথম গোলটির বিল্ডআপের সময় বল মাঠের ওপরের স্পাইডারক্যামের ঝুলন্ত তারে আঘাত করেছিল। নিয়ম অনুযায়ী, এমনটি ঘটলে খেলা সেখানেই থামিয়ে দেওয়ার কথা, কিন্তু রেফারি তা করেননি।

ঘটনাটি ঘটে প্রথমার্ধের শেষ দিকে, যখন নরওয়ের গোলকিপার ওরইয়ান নিলান্ড লম্বা করে কিক নেওয়ার পর বলটি ওপরে থাকা ক্যামেরার তারে লেগেছে বলে মনে হয়। বলটি মাটিতে পড়ার পরপরই বেলিংহাম গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। গোলের পরপরই নরওয়ের গোলকিপার নিলান্ড রেফারির কাছে গিয়ে ওপরের দিকে ইশারা করে বিষয়টি জানান। ডাগআউটে থাকা কোচ স্টেল সোলবাকেনও সহকারী রেফারির সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেন। এমনকি প্রথমার্ধ শেষে বিরতিতে যাওয়ার সময় নিলান্ড, আর্লিং হলান্ড এবং কোচ ফরাসি রেফারি ক্লেমঁ তুরপাঁর কাছে গিয়ে সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে ভিডিও শেয়ার করে বলটি তারে লেগেছে বলে দাবি তোলেন। তবে রেফারিরা কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং ভিএআর এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

অবশেষে এ বিষয়ে ফিফা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের ওই গোলের আগে বাতাসে থাকা বলের ভেতরে থাকা সেন্সরে (কানেক্টেড বল টেকনোলজি) কোনো অস্বাভাবিক কম্পন বা ‘হার্টবিট’ ধরা পড়েনি। ফলে বলটি তারে লেগেছে বা এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর আগে পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার একটি গোল বাতিলের সময় এই একই প্রযুক্তির সেন্সর ব্যবহার করে বলের স্পর্শ নিশ্চিত করা হয়েছিল, যেখানে খেলোয়াড়ের পায়ে বল লাগার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।