লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, সংকট আরও তীব্র

দেশজুড়ে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে বুধবার বেলা তিনটায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে।

গত শনিবার মহেশখালীতে সামিটের টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হলে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছিল। তবে নতুন কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে তিন দিন ধরে সরবরাহ কমছিল, যা শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কম দামে এলএনজি কেনার জন্য সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে বেশ কিছু কার্গোর ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়। এ মাসে চারটি কার্গো আসার কথা থাকলেও একটি也没有 আসেনি। সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা কার্গোগুলো না আসায় সংকট আরও বেড়েছে। এখন টার্মিনাল প্রস্তুত থাকলেও এলএনজি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটি দেশি কোম্পানি সামিটের। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার তারা পুরোদমে এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হয়, কিন্তু নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় পুরোনো মজুত থেকে আংশিক সরবরাহ শুরু করে।

সোমবার থেকে তাদের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার একটি কার্গো আসার কথা রয়েছে, যা সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। এক্সিলারেটের জন্য কার্গো ২৩-২৪ আগস্ট আসতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তার মানে আগামী কয়েক দিন এক্সিলারেট বন্ধ থাকবে এবং গ্যাসের সংকট আরও বাড়বে।

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। বর্তমানে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে এলএনজি দেওয়া হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। ওই এলএনজি এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে যুক্ত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, সংকট আরও তীব্র

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশজুড়ে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে বুধবার বেলা তিনটায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে।

গত শনিবার মহেশখালীতে সামিটের টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হলে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছিল। তবে নতুন কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে তিন দিন ধরে সরবরাহ কমছিল, যা শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কম দামে এলএনজি কেনার জন্য সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে বেশ কিছু কার্গোর ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়। এ মাসে চারটি কার্গো আসার কথা থাকলেও একটি也没有 আসেনি। সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা কার্গোগুলো না আসায় সংকট আরও বেড়েছে। এখন টার্মিনাল প্রস্তুত থাকলেও এলএনজি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটি দেশি কোম্পানি সামিটের। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার তারা পুরোদমে এলএনজি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হয়, কিন্তু নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় পুরোনো মজুত থেকে আংশিক সরবরাহ শুরু করে।

সোমবার থেকে তাদের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার একটি কার্গো আসার কথা রয়েছে, যা সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। এক্সিলারেটের জন্য কার্গো ২৩-২৪ আগস্ট আসতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তার মানে আগামী কয়েক দিন এক্সিলারেট বন্ধ থাকবে এবং গ্যাসের সংকট আরও বাড়বে।

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। বর্তমানে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে এলএনজি দেওয়া হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। ওই এলএনজি এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে যুক্ত হয়।