লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে কেন নিষ্প্রভ ছিলেন আর্লিং হালান্দ?

বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে আর্লিং হালান্দকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বী। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে দেখা গেছে অনেকটাই নিষ্প্রভ। ৬০ বছর ধরে ইংল্যান্ড কাপের অপেক্ষায় থাকা দলটি এই ম্যাচে দারুণ ছন্দে ছিল। এই পারফরম্যান্সের পেছনে কি কোনো বিশেষ কারণ ছিল? অনেকেই মনে করছেন, হালান্দ হয়তো ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা দিতে চাননি, যেহেতু তিনি ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলেন এবং ইংল্যান্ডেই তার জন্ম। মাঠজুড়ে তাকে কড়া মার্কিংয়ের মধ্যেও রাখা হয়েছিল। মায়ামি স্টেডিয়ামে ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এই লড়াই ঘিরে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ ছিল।

ম্যাচের এক পর্যায়ে নরওয়ে গোল পেলেও হালান্দের ফাউলের অভিযোগে তা বাতিল করা হয়। এছাড়া সতীর্থ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার সরলথ বল জোগান না দিয়ে নিজে গোল করার চেষ্টা করায় হালান্দকে বেশ বিরক্ত হতে দেখা গেছে। ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন এবং তিনি আরও ভালো খেলার প্রত্যাশা করেছিলেন।

ফুটবল ইতিহাসে এমন পরিস্থিতির নজির আগে থেকেই আছে। ৮৬’র মেক্সিকো বিশ্বকাপে তাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ন্যাপোলির মাঠে ইতালির বিপক্ষে দিয়েগো ম্যারাডোনার অবস্থান নিয়ে স্থানীয়রা তাকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়েছিল। ৩৬ বছর আগের সেই ঘটনার ছায়া কি হালান্দের ওপর পড়েছে? নরওয়ের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক আফটেনপোস্টেন অবশ্য এই বিশ্বকাপ যাত্রা এবং দলের পারফরম্যান্সকে আনন্দময় উৎসব হিসেবেই আখ্যায়িত করেছে। ব্রিটিশরা আজও ম্যারাডোনার সেই বিতর্কিত গোল নিয়ে বিতর্ক করেন, যা তিনি কখনো সরাসরি স্বীকার করেননি, বরং ‘ঈশ্বরের হাত’ বলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

বিশ্বকাপে কেন নিষ্প্রভ ছিলেন আর্লিং হালান্দ?

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে আর্লিং হালান্দকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বী। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে দেখা গেছে অনেকটাই নিষ্প্রভ। ৬০ বছর ধরে ইংল্যান্ড কাপের অপেক্ষায় থাকা দলটি এই ম্যাচে দারুণ ছন্দে ছিল। এই পারফরম্যান্সের পেছনে কি কোনো বিশেষ কারণ ছিল? অনেকেই মনে করছেন, হালান্দ হয়তো ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা দিতে চাননি, যেহেতু তিনি ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলেন এবং ইংল্যান্ডেই তার জন্ম। মাঠজুড়ে তাকে কড়া মার্কিংয়ের মধ্যেও রাখা হয়েছিল। মায়ামি স্টেডিয়ামে ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এই লড়াই ঘিরে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ ছিল।

ম্যাচের এক পর্যায়ে নরওয়ে গোল পেলেও হালান্দের ফাউলের অভিযোগে তা বাতিল করা হয়। এছাড়া সতীর্থ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার সরলথ বল জোগান না দিয়ে নিজে গোল করার চেষ্টা করায় হালান্দকে বেশ বিরক্ত হতে দেখা গেছে। ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন এবং তিনি আরও ভালো খেলার প্রত্যাশা করেছিলেন।

ফুটবল ইতিহাসে এমন পরিস্থিতির নজির আগে থেকেই আছে। ৮৬’র মেক্সিকো বিশ্বকাপে তাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ন্যাপোলির মাঠে ইতালির বিপক্ষে দিয়েগো ম্যারাডোনার অবস্থান নিয়ে স্থানীয়রা তাকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়েছিল। ৩৬ বছর আগের সেই ঘটনার ছায়া কি হালান্দের ওপর পড়েছে? নরওয়ের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক আফটেনপোস্টেন অবশ্য এই বিশ্বকাপ যাত্রা এবং দলের পারফরম্যান্সকে আনন্দময় উৎসব হিসেবেই আখ্যায়িত করেছে। ব্রিটিশরা আজও ম্যারাডোনার সেই বিতর্কিত গোল নিয়ে বিতর্ক করেন, যা তিনি কখনো সরাসরি স্বীকার করেননি, বরং ‘ঈশ্বরের হাত’ বলে এড়িয়ে গিয়েছিলেন।