লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দরে স্বাভাবিক হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

দীর্ঘ পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও সচল হতে যাচ্ছে। ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা বৈঠকের পর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামীকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হিলি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সমস্যা, বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পরই ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল জানান, গত বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বালুরঘাট সফরকালে প্রশাসনিক বৈঠকে ব্যবসায়ীরা স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন ও বাণিজ্য সহজীকরণের দাবি জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বাংলাদেশে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শনিবার থেকে পুনরায় পণ্য পরিবহন শুরু হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট থেকে প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ তুলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে আমদানিও বন্ধ রাখায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে এবং শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন।

এদিকে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ভারতের বালুরঘাটে জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের বৈঠকের বিষয়টি তারা জেনেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন জটিলতায় হিলি বন্দরের বাণিজ্য দিন দিন কমে আসছিল, যা উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে বন্দরে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ সফল করার আহ্বান ডা. ইরানের

শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দরে স্বাভাবিক হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও সচল হতে যাচ্ছে। ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা বৈঠকের পর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামীকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হিলি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সমস্যা, বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক জটিলতা এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পরই ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল জানান, গত বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বালুরঘাট সফরকালে প্রশাসনিক বৈঠকে ব্যবসায়ীরা স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন ও বাণিজ্য সহজীকরণের দাবি জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বাংলাদেশে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শনিবার থেকে পুনরায় পণ্য পরিবহন শুরু হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট থেকে প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ তুলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে আমদানিও বন্ধ রাখায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে এবং শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন।

এদিকে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ভারতের বালুরঘাটে জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের বৈঠকের বিষয়টি তারা জেনেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন জটিলতায় হিলি বন্দরের বাণিজ্য দিন দিন কমে আসছিল, যা উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে বন্দরে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।