লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ৭-১৫ নভেম্বর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফলাফল প্রস্তুতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা কিছুটা দেরিতে শেষ হওয়ায় ফল তৈরিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে এই সমস্যা সমাধানে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সম্ভাব্য সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা যায়। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কিছু পরীক্ষা পিছিয়ে যায়।

এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেছিলেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। তারা ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন।

এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকারের ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসছে, বরাদ্দ ৩৭০ কোটি টাকা

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ৭-১৫ নভেম্বর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফলাফল প্রস্তুতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা কিছুটা দেরিতে শেষ হওয়ায় ফল তৈরিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে এই সমস্যা সমাধানে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সম্ভাব্য সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা যায়। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কিছু পরীক্ষা পিছিয়ে যায়।

এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেছিলেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। তারা ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন।

এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।