লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আইরিন খান

মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দায়িত্ব পালনকালে আইরিন খান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

আইরিন খানের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা রয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সংস্থাটির প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে তিনি জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সুরক্ষাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৯৯৩ সালে এই পদটি চালু হওয়ার পর তিনিই প্রথম নারী হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাভ করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনিলিভার বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২৬-এর চ্যাম্পিয়ন ‘সোপ-আর-স্টারস’

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আইরিন খান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দায়িত্ব পালনকালে আইরিন খান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

আইরিন খানের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা রয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সংস্থাটির প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে তিনি জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সুরক্ষাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৯৯৩ সালে এই পদটি চালু হওয়ার পর তিনিই প্রথম নারী হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাভ করেছিলেন।