লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে শুরু হলো ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ তৈরির তথ্য সংগ্রহ

কৃষকদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ করতে পাবনা কৃষি অঞ্চলে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রম। গত পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হলেও, এখন মাঠপর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ চলছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পাবনা অঞ্চলের প্রতিটি উপজেলার একটি করে কৃষি ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আরামবাড়িয়া কৃষি ব্লকে এই কার্যক্রমের আওতায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকদের ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক তদারকিতে এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে। আরামবাড়িয়া ব্লকে তথ্য সংগ্রহের এই দায়িত্ব পালন করছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলীম, মো. রওশন আলম, মো. মশিউর রহমান, মো. সুজন ইসলাম, মো. নয়ন খান ও মো. ইমরান খান সাগর। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে কৃষকদের মাঝে পর্যায়ক্রমে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।

এই কার্যক্রমের নির্ভুলতা ও সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রহল্লাদ কুমার কুন্ড এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (উদ্যান) মো. একলাছুর রহমান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান, প্রকৃত কৃষকদের একটি সঠিক ও নির্ভুল ডিজিটাল পরিচয়পত্র নিশ্চিত করাই সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এই স্মার্ট কার্ড দেশের সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কৃষকবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরামবাড়িয়া ব্লকের গোপালপুর গ্রামের কৃষক মো. মাহাবুল প্রামাণিক এ বিষয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “এখন যদি আমাদের কৃষক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে। কার্ডটি পাওয়ার পর আমরা কৃষি উপকরণ সহায়তা, সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধাসহ সব ধরনের সেবা কোনো হয়রানি ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুত গতিতে গ্রহণ করতে পারব।” উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে কৃষকদের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষকদের জন্য সরকারি কৃষিসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে ২য় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রমের আওতায় পাবনা কৃষি অঞ্চলে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনের পর প্রথমবারের মতো মাঠপর্যায়ে কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সারা দেশে এ কার্যক

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও যুগ্ম সচিব ডা. সাবিনা ইয়াসমিনকে বাধ্যতামূলক অবসরে 

ঈশ্বরদীতে শুরু হলো ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ তৈরির তথ্য সংগ্রহ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

কৃষকদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ করতে পাবনা কৃষি অঞ্চলে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রম। গত পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হলেও, এখন মাঠপর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ চলছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পাবনা অঞ্চলের প্রতিটি উপজেলার একটি করে কৃষি ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আরামবাড়িয়া কৃষি ব্লকে এই কার্যক্রমের আওতায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকদের ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক তদারকিতে এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে। আরামবাড়িয়া ব্লকে তথ্য সংগ্রহের এই দায়িত্ব পালন করছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলীম, মো. রওশন আলম, মো. মশিউর রহমান, মো. সুজন ইসলাম, মো. নয়ন খান ও মো. ইমরান খান সাগর। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে কৃষকদের মাঝে পর্যায়ক্রমে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।

এই কার্যক্রমের নির্ভুলতা ও সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মমিন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রহল্লাদ কুমার কুন্ড এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (উদ্যান) মো. একলাছুর রহমান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান, প্রকৃত কৃষকদের একটি সঠিক ও নির্ভুল ডিজিটাল পরিচয়পত্র নিশ্চিত করাই সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এই স্মার্ট কার্ড দেশের সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কৃষকবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরামবাড়িয়া ব্লকের গোপালপুর গ্রামের কৃষক মো. মাহাবুল প্রামাণিক এ বিষয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “এখন যদি আমাদের কৃষক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে। কার্ডটি পাওয়ার পর আমরা কৃষি উপকরণ সহায়তা, সরকারি প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধাসহ সব ধরনের সেবা কোনো হয়রানি ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুত গতিতে গ্রহণ করতে পারব।” উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে কৃষকদের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষকদের জন্য সরকারি কৃষিসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে ২য় পর্যায়ের ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ কার্যক্রমের আওতায় পাবনা কৃষি অঞ্চলে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনের পর প্রথমবারের মতো মাঠপর্যায়ে কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সারা দেশে এ কার্যক