লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ ঘণ্টা পর জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও তীব্র গ্যাস সংকট দূর করার দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সিএনজি চালকদের পাঁচ ঘণ্টার অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতারের আশ্বাসের পর চালকরা তাদের বিক্ষোভ ও অবরোধ তুলে নেন। এর আগে সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

আন্দোলনরত চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুর জেলায় চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার তুলনায় গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা অত্যন্ত অপরতুল। পুরো জেলায় মাত্র একটি পাম্প—'জাবেদ ফিলিং স্টেশন' থেকে সিএনজিতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। অথচ জেলায় বিআরটিএ নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার সিএনজি অটোরিকশা রয়েছে। এছাড়া বাইরের জেলা থেকে আসা অটোরিকশাসহ জামালপুরে চলাচলকারী মোট সিএনজির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

চালকদের অভিযোগ, বিপুলসংখ্যক সিএনজির বিপরীতে মাত্র একটি গ্যাস পাম্প থাকায় প্রতিদিন তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অনেক সময় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাস সংকটের কারণে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় চালকদের, যার ফলে তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এই সংকটের স্থায়ী সমাধান ও নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপনের দাবিতেই তারা মহাসড়ক অবরোধ করেন।

এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার জানান, চালকদের দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। গ্যাস সংকট সমাধান এবং নতুন পাম্প স্থাপনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর চালকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, গ্যাস সংকট ও পাম্পের দাবিতে সিএনজি চালকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইউএনওর আশ্বাসের পর চালকরা অবরোধ তুলে নিলে মহাসড়কে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

কটিয়াদীতে পুকুর থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা পর জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও তীব্র গ্যাস সংকট দূর করার দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সিএনজি চালকদের পাঁচ ঘণ্টার অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতারের আশ্বাসের পর চালকরা তাদের বিক্ষোভ ও অবরোধ তুলে নেন। এর আগে সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

আন্দোলনরত চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুর জেলায় চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার তুলনায় গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা অত্যন্ত অপরতুল। পুরো জেলায় মাত্র একটি পাম্প—'জাবেদ ফিলিং স্টেশন' থেকে সিএনজিতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। অথচ জেলায় বিআরটিএ নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার সিএনজি অটোরিকশা রয়েছে। এছাড়া বাইরের জেলা থেকে আসা অটোরিকশাসহ জামালপুরে চলাচলকারী মোট সিএনজির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

চালকদের অভিযোগ, বিপুলসংখ্যক সিএনজির বিপরীতে মাত্র একটি গ্যাস পাম্প থাকায় প্রতিদিন তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অনেক সময় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাস সংকটের কারণে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় চালকদের, যার ফলে তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এই সংকটের স্থায়ী সমাধান ও নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপনের দাবিতেই তারা মহাসড়ক অবরোধ করেন।

এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার জানান, চালকদের দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। গ্যাস সংকট সমাধান এবং নতুন পাম্প স্থাপনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর চালকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, গ্যাস সংকট ও পাম্পের দাবিতে সিএনজি চালকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইউএনওর আশ্বাসের পর চালকরা অবরোধ তুলে নিলে মহাসড়কে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।