লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবিরহাটে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, দুই চাচাতো ভাই পলাতক

নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের একদিন পর আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতার মরদেহ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের একটি ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আজাদ একই গ্রামের হানিফ মিয়া বাড়ির মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে আজাদ হোসেন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায়, তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কবিরহাট থানার ওসি রোমেল বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, আজাদের চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলেও দাবি করেন স্বজনরা। নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, যুবদল নেতা আজাদ ব্যবসা করত। পাশাপাশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুর রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কম: রিজভী

কবিরহাটে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, দুই চাচাতো ভাই পলাতক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের একদিন পর আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতার মরদেহ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের একটি ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আজাদ একই গ্রামের হানিফ মিয়া বাড়ির মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে আজাদ হোসেন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায়, তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কবিরহাট থানার ওসি রোমেল বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, আজাদের চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলেও দাবি করেন স্বজনরা। নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, যুবদল নেতা আজাদ ব্যবসা করত। পাশাপাশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুর রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।