লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ধস, সাজেক-লংগদুর যোগাযোগ বন্ধ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের দুটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। এই দুর্যোগের কারণে আজ শনিবার সকাল থেকে দীঘিনালা-সাজেক এবং দীঘিনালা-লংগদু রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

ভারী বর্ষণের ফলে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে দীঘিনালার মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বেয়োলখালী এলাকার নিচু অঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে এবং অনেক বসতবাড়ি ও আমনের খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি-মেরুং সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানীয় স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।

দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূধি চাকমা জানিয়েছেন, গত রাতে মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমে বিরল। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, শুক্রবার গভীর রাতের এই ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকা এবং দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সকাল থেকেই মাঠে কাজ করছেন এবং আশ্রয় নেওয়া মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানান, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় বড় ধরনের পাহাড়ধসের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ধসে পড়া অংশটি বেশ বড় হলেও ইতিমধ্যে মাটি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি, বৃষ্টির পূর্বাভাস নিয়ে যা বলছে আবহাওয়া অফিস

খাগড়াছড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ধস, সাজেক-লংগদুর যোগাযোগ বন্ধ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের দুটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। এই দুর্যোগের কারণে আজ শনিবার সকাল থেকে দীঘিনালা-সাজেক এবং দীঘিনালা-লংগদু রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

ভারী বর্ষণের ফলে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে দীঘিনালার মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বেয়োলখালী এলাকার নিচু অঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে এবং অনেক বসতবাড়ি ও আমনের খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি-মেরুং সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানীয় স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।

দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূধি চাকমা জানিয়েছেন, গত রাতে মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমে বিরল। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, শুক্রবার গভীর রাতের এই ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকা এবং দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সকাল থেকেই মাঠে কাজ করছেন এবং আশ্রয় নেওয়া মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানান, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় বড় ধরনের পাহাড়ধসের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ধসে পড়া অংশটি বেশ বড় হলেও ইতিমধ্যে মাটি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।