লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খিলগাঁওয়ে রক্তাক্ত ব্যবসায়ী উদ্ধার, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পরিবারের

ঢাকার খিলগাঁওয়ের নন্দিপাড়ায় রক্তাক্ত অবস্থায় খোরশেদ আলম সোহেল (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে তাকে উদ্ধার করা হয়। আহত সোহেল পশ্চিম নন্দিপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় ইট-বালু সরবরাহকারী ব্যবসায়ী। তাকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান শেখ জানান, নন্দিপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে স্থানীয় লোকজন আটকে রেখে মারধর করছে—এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সোহেলকে ৪০ থেকে ৫০ জন লোক ঘিরে রেখেছেন। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, সোহেলের কাছ থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা জব্দ করেন।

তবে খোরশেদ আলমের স্ত্রী তারিন আক্তারের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জানান, ইট-বালু সরবরাহের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল। প্রতিপক্ষ এর আগেও তাঁদের হুমকি দিয়েছিল। এলাকার একটি পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে খোরশেদকে ডেকে নিয়ে মারধর করে এবং তাঁর কাছে অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বলে তারিন আক্তার দাবি করেন।

এএসআই ইমরান শেখ জানিয়েছেন, খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। পুরো ঘটনাটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখছেন। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খিলগাঁওয়ে রক্তাক্ত ব্যবসায়ী উদ্ধার, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পরিবারের

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ঢাকার খিলগাঁওয়ের নন্দিপাড়ায় রক্তাক্ত অবস্থায় খোরশেদ আলম সোহেল (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে তাকে উদ্ধার করা হয়। আহত সোহেল পশ্চিম নন্দিপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় ইট-বালু সরবরাহকারী ব্যবসায়ী। তাকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান শেখ জানান, নন্দিপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে স্থানীয় লোকজন আটকে রেখে মারধর করছে—এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সোহেলকে ৪০ থেকে ৫০ জন লোক ঘিরে রেখেছেন। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, সোহেলের কাছ থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা জব্দ করেন।

তবে খোরশেদ আলমের স্ত্রী তারিন আক্তারের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জানান, ইট-বালু সরবরাহের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল। প্রতিপক্ষ এর আগেও তাঁদের হুমকি দিয়েছিল। এলাকার একটি পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে খোরশেদকে ডেকে নিয়ে মারধর করে এবং তাঁর কাছে অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বলে তারিন আক্তার দাবি করেন।

এএসআই ইমরান শেখ জানিয়েছেন, খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। পুরো ঘটনাটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করে দেখছেন। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।