লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বৃহস্পতিবার ভোরে পৃথক দুটি পাহাড় ধসের ঘটনায় মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া বা পাগলির ঝিরি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর একটি ঘটনায় এক দম্পতি রয়েছেন।

নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন আজিজনগর এলাকার বাসিন্দা মো. ইউনুস, তার স্ত্রী রানু আক্তার এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান। অন্য ঘটনায় নিহতরা হলেন মো. জুয়েল ও তার স্ত্রী কুলছুমা আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে পাহাড় ধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এরপর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় দুটি পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে লামাসহ পুরো বান্দরবানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি চরম আকার ধারণ করেছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হলেও, এখনো অনেকে সেখানে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের প্লেট ফাইনালে বাংলাদেশ

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বৃহস্পতিবার ভোরে পৃথক দুটি পাহাড় ধসের ঘটনায় মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া বা পাগলির ঝিরি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর একটি ঘটনায় এক দম্পতি রয়েছেন।

নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন আজিজনগর এলাকার বাসিন্দা মো. ইউনুস, তার স্ত্রী রানু আক্তার এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান। অন্য ঘটনায় নিহতরা হলেন মো. জুয়েল ও তার স্ত্রী কুলছুমা আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে পাহাড় ধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এরপর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় দুটি পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে লামাসহ পুরো বান্দরবানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি চরম আকার ধারণ করেছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হলেও, এখনো অনেকে সেখানে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।