লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পিরোজপুরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে তন্ময় মিস্ত্রী নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পিরোজপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত তন্ময় মিস্ত্রী ভান্ডারিয়া উপজেলার সিংহখালী গ্রামের উত্তম কুমার মিস্ত্রির ছেলে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সে গণিত প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় আসামির বাড়ির কাছে পৌঁছায়। এ সময় তন্ময় মিস্ত্রী তাকে কথা বলার ছলে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধরে পাশের একটি ঘরে আটকে ধর্ষণ করে।

ঘটনার পর তন্ময় ভুক্তভোগীকে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শওকত হোসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে ১৩ হাজার ৮০৪ পিস ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক

পিরোজপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে তন্ময় মিস্ত্রী নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পিরোজপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত তন্ময় মিস্ত্রী ভান্ডারিয়া উপজেলার সিংহখালী গ্রামের উত্তম কুমার মিস্ত্রির ছেলে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সে গণিত প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় আসামির বাড়ির কাছে পৌঁছায়। এ সময় তন্ময় মিস্ত্রী তাকে কথা বলার ছলে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধরে পাশের একটি ঘরে আটকে ধর্ষণ করে।

ঘটনার পর তন্ময় ভুক্তভোগীকে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শওকত হোসেন।