লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেনাল্টি মিসের হ্যাটট্রিক মেসির, টানা তিন হারে বিপাকে ইন্টার মায়ামি

লিওনেল মেসির সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। মাঠে তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছন্দপতনের ছাপ স্পষ্ট। এবার পেনাল্টি মিসের হ্যাটট্রিক করলেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। তার এই পেনাল্টি মিসের খেসারত দিতে হয়েছে তার দল ইন্টার মায়ামিকে। শনিবার শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে দলটি ৪-১ গোলে বড় ব্যবধানে হেরেছে। এর মধ্য দিয়ে টানা তিন ম্যাচ হারের তিক্ত স্বাদ পেল মায়ামি।

ম্যাচের ২৩ মিনিটে ১-১ সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ ছিল ইন্টার মায়ামির সামনে। কিন্তু স্পট কিক থেকে মেসির নেওয়া শটটি দক্ষতার সাথে ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়েক। বলটি তার ডান দিকের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি রুখে দেন। যদিও ফিরতি সুযোগে সের্হিও রেগিলন গোল করেছিলেন, কিন্তু ভিডিও পর্যালোচনায় দেখা যায় মেসির পেনাল্টি নেওয়ার সময় তিনি আগেভাগেই বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন, যার ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।

মেসি এই নিয়ে টানা তিনটি পেনাল্টি মিস করলেন। এর আগে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে অস্ট্রিয়া ও মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেছিলেন তিনি। এমএলএসে প্রায় এক বছর পর মেসি প্রথমবারের মতো পেনাল্টি মিস করলেন, এর আগে গত ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি শেষবার পেনাল্টি মিস করেছিলেন।

জিওডিস পার্কে ম্যাচের ১৭ মিনিটে অ্যান্ডি নাহারের গোলে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে মেসির পাস থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়া কারিকুরি দেখিয়ে গোল করে সমতা ফেরান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ন্যাশভিলের দাপটের সামনে মায়ামি আর দাঁড়াতেই পারেনি। এমএলএসের সাবেক সেরা খেলোয়াড় হানি মুখতার দুটি গোল করেন এবং স্যাম সারিজ ব্যাকহিলে আরও একটি গোল যোগ করেন।

খেলার এক পর্যায়ে মেসি প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়েন। সারিজের তৃতীয় গোলের আগে ফাউলের শিকার হয়েছেন দাবি করে রেফারির কাছে জোরালো আপত্তি জানান তিনি, যার ফলে মেসিকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়েও ভাগ্যের সহায়তা পাননি মেসি; একবার তার শট দুই পোস্টে লেগে ফেরত আসে এবং পরে জাল কাঁপিয়েও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। চতুর্থ গোলে মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো পিছলে পড়ে বক্সের বাইরে চলে গেলে ন্যাশভিলের গোলরক্ষক শোয়েকের লম্বা কিক ধরে হানি মুখতার খালি জালে বল পাঠান।

লিগে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর এই ম্যাচে নেমেছিল মায়ামি। জিতলে তারা ইস্টার্ন কনফারেন্স ও সাপোর্টার্স শিল্ড টেবিলে ন্যাশভিলকে টপকে শীর্ষে উঠত। কিন্তু এই হারের ফলে বাকি ১৫ ম্যাচে ন্যাশভিলের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকল মায়ামি। এর আগে লিগস কাপেও টানা দুই ম্যাচ হেরে নকআউট পর্বে ওঠার আগেই বাদ পড়েছিল মায়ামি, যদিও সেই দুই ম্যাচে মেসি বা লুইস সুয়ারেজ কেউই শুরুর একাদশে ছিলেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মন্ত্রী বড়, নাকি এমপি’—কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

পেনাল্টি মিসের হ্যাটট্রিক মেসির, টানা তিন হারে বিপাকে ইন্টার মায়ামি

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

লিওনেল মেসির সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। মাঠে তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছন্দপতনের ছাপ স্পষ্ট। এবার পেনাল্টি মিসের হ্যাটট্রিক করলেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। তার এই পেনাল্টি মিসের খেসারত দিতে হয়েছে তার দল ইন্টার মায়ামিকে। শনিবার শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে দলটি ৪-১ গোলে বড় ব্যবধানে হেরেছে। এর মধ্য দিয়ে টানা তিন ম্যাচ হারের তিক্ত স্বাদ পেল মায়ামি।

ম্যাচের ২৩ মিনিটে ১-১ সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ ছিল ইন্টার মায়ামির সামনে। কিন্তু স্পট কিক থেকে মেসির নেওয়া শটটি দক্ষতার সাথে ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়েক। বলটি তার ডান দিকের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি রুখে দেন। যদিও ফিরতি সুযোগে সের্হিও রেগিলন গোল করেছিলেন, কিন্তু ভিডিও পর্যালোচনায় দেখা যায় মেসির পেনাল্টি নেওয়ার সময় তিনি আগেভাগেই বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন, যার ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।

মেসি এই নিয়ে টানা তিনটি পেনাল্টি মিস করলেন। এর আগে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে অস্ট্রিয়া ও মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেছিলেন তিনি। এমএলএসে প্রায় এক বছর পর মেসি প্রথমবারের মতো পেনাল্টি মিস করলেন, এর আগে গত ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি শেষবার পেনাল্টি মিস করেছিলেন।

জিওডিস পার্কে ম্যাচের ১৭ মিনিটে অ্যান্ডি নাহারের গোলে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে মেসির পাস থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়া কারিকুরি দেখিয়ে গোল করে সমতা ফেরান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ন্যাশভিলের দাপটের সামনে মায়ামি আর দাঁড়াতেই পারেনি। এমএলএসের সাবেক সেরা খেলোয়াড় হানি মুখতার দুটি গোল করেন এবং স্যাম সারিজ ব্যাকহিলে আরও একটি গোল যোগ করেন।

খেলার এক পর্যায়ে মেসি প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়েন। সারিজের তৃতীয় গোলের আগে ফাউলের শিকার হয়েছেন দাবি করে রেফারির কাছে জোরালো আপত্তি জানান তিনি, যার ফলে মেসিকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়েও ভাগ্যের সহায়তা পাননি মেসি; একবার তার শট দুই পোস্টে লেগে ফেরত আসে এবং পরে জাল কাঁপিয়েও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। চতুর্থ গোলে মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো পিছলে পড়ে বক্সের বাইরে চলে গেলে ন্যাশভিলের গোলরক্ষক শোয়েকের লম্বা কিক ধরে হানি মুখতার খালি জালে বল পাঠান।

লিগে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর এই ম্যাচে নেমেছিল মায়ামি। জিতলে তারা ইস্টার্ন কনফারেন্স ও সাপোর্টার্স শিল্ড টেবিলে ন্যাশভিলকে টপকে শীর্ষে উঠত। কিন্তু এই হারের ফলে বাকি ১৫ ম্যাচে ন্যাশভিলের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকল মায়ামি। এর আগে লিগস কাপেও টানা দুই ম্যাচ হেরে নকআউট পর্বে ওঠার আগেই বাদ পড়েছিল মায়ামি, যদিও সেই দুই ম্যাচে মেসি বা লুইস সুয়ারেজ কেউই শুরুর একাদশে ছিলেন না।