লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে নিখোঁজ ৫ হাজার, মরদেহ শনাক্তে শুরু ডিএনএ পরীক্ষা

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১১ দিন পার হলেও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় নিখোঁজদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে ৯৮টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের মতে, অনেক মরদেহ পানির স্রোতে ভেসে গেছে। আবার যেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলো পানি ও কাদায় আটকে থাকায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, পচে গেছে অথবা খণ্ডিত অবস্থায় রয়েছে। নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে অন্তত ৮৫টি শিশুর। এছাড়া প্রায় ৫০০ মরদেহের বিভিন্ন অংশ অনুপস্থিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে চিতওয়ান জেলায়, যার সংখ্যা ৩৬২টি। এরপরেই রয়েছে নাওয়ালপরাসি ইস্ট, নাওয়ালপরাসি ওয়েস্ট, নুওয়াকোট, রাসুওয়া, গোরখা, ধাদিং ও তানাহুন জেলা। পুলিশ জানিয়েছে, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি এক হাজারের বেশি অজ্ঞাত মরদেহ দাফন করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এদিকে, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গোরখা জেলায় নতুন করে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চারটি বাড়ি ও একটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। চুমনুব্রি রুরাল মিউনিসিপ্যালিটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নামরুং খোলা নদীর পানি উপচে এই বন্যার সৃষ্টি হয়। নেপালের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী বিক্রম তিমসিলিনা জানিয়েছেন, রাসুওয়ায় বন্যাকবলিতদের জন্য ত্রাণসামগ্রীর কোনো ঘাটতি রাখা হবে না এবং ত্রাণ বিতরণে যেকোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রোধ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভার ইপিজেডে শান্তি ফেরাতে প্রশাসনের বিশেষ সভা, কঠোর বার্তা দিলেন এসপি

নেপালে নিখোঁজ ৫ হাজার, মরদেহ শনাক্তে শুরু ডিএনএ পরীক্ষা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১১ দিন পার হলেও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় নিখোঁজদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে ৯৮টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের মতে, অনেক মরদেহ পানির স্রোতে ভেসে গেছে। আবার যেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলো পানি ও কাদায় আটকে থাকায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, পচে গেছে অথবা খণ্ডিত অবস্থায় রয়েছে। নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে অন্তত ৮৫টি শিশুর। এছাড়া প্রায় ৫০০ মরদেহের বিভিন্ন অংশ অনুপস্থিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে চিতওয়ান জেলায়, যার সংখ্যা ৩৬২টি। এরপরেই রয়েছে নাওয়ালপরাসি ইস্ট, নাওয়ালপরাসি ওয়েস্ট, নুওয়াকোট, রাসুওয়া, গোরখা, ধাদিং ও তানাহুন জেলা। পুলিশ জানিয়েছে, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি এক হাজারের বেশি অজ্ঞাত মরদেহ দাফন করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এদিকে, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গোরখা জেলায় নতুন করে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চারটি বাড়ি ও একটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। চুমনুব্রি রুরাল মিউনিসিপ্যালিটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নামরুং খোলা নদীর পানি উপচে এই বন্যার সৃষ্টি হয়। নেপালের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী বিক্রম তিমসিলিনা জানিয়েছেন, রাসুওয়ায় বন্যাকবলিতদের জন্য ত্রাণসামগ্রীর কোনো ঘাটতি রাখা হবে না এবং ত্রাণ বিতরণে যেকোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রোধ করা হবে।