লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ জয় নিজের আদর্শ নেইমারকে উৎসর্গ করলেন স্পেনের নিকো উইলিয়ামস

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঐতিহাসিক রাতে এক অনন্য নজির গড়লেন স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস। ফাইনালে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করা এই ২৪ বছর বয়সী তারকা বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসার মুহূর্তেই নিজের সাফল্যের একটি অংশ উৎসর্গ করেছেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টার বয় নেইমারকে, যাকে তিনি ছোটবেলা থেকেই নিজের আদর্শ মনে করেন।

ম্যাচ শেষে কাজে টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। আমার আদর্শ নেইমার। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।

ফাইনালে নিকো ছিলেন স্পেনের অন্যতম উজ্জ্বল পারফর্মার। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে তিনি একবার বল জালে জড়ালেও সতীর্থ মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই হেড দিয়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করে দলের নায়কে পরিণত হন তিনি। নিজের বাতিল হওয়া গোল নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলেও জানান এই স্প্যানিশ তারকা। তিনি হাসিমুখে বলেন, কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!

ফাইনালে শুরু থেকেই স্পেন ছিল আক্রমণাত্মক। তারা ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। অতিরিক্ত সময়েও স্পেনের লাগাতার আক্রমণের ফলেই আসে ফেরান তোরেসের শিরোপা জয়ী গোল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

বিশ্বকাপ জয় নিজের আদর্শ নেইমারকে উৎসর্গ করলেন স্পেনের নিকো উইলিয়ামস

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঐতিহাসিক রাতে এক অনন্য নজির গড়লেন স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস। ফাইনালে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করা এই ২৪ বছর বয়সী তারকা বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসার মুহূর্তেই নিজের সাফল্যের একটি অংশ উৎসর্গ করেছেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টার বয় নেইমারকে, যাকে তিনি ছোটবেলা থেকেই নিজের আদর্শ মনে করেন।

ম্যাচ শেষে কাজে টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। আমার আদর্শ নেইমার। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।

ফাইনালে নিকো ছিলেন স্পেনের অন্যতম উজ্জ্বল পারফর্মার। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে তিনি একবার বল জালে জড়ালেও সতীর্থ মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই হেড দিয়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করে দলের নায়কে পরিণত হন তিনি। নিজের বাতিল হওয়া গোল নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলেও জানান এই স্প্যানিশ তারকা। তিনি হাসিমুখে বলেন, কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!

ফাইনালে শুরু থেকেই স্পেন ছিল আক্রমণাত্মক। তারা ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। অতিরিক্ত সময়েও স্পেনের লাগাতার আক্রমণের ফলেই আসে ফেরান তোরেসের শিরোপা জয়ী গোল।