লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলো কিশোর অপ্রতিম

বুকফাটা আর্তনাদে একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন তার মা-বাবা। স্বজন, প্রতিবেশী এবং সারাদেশের মানুষের চোখের পানিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৩ বছর বয়সী এই কিশোরকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ অপ্রতিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছিলেন অনেকে, কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় জানাজা শেষে কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি গোরস্থানে অপ্রতিমকে দাফন করা হয়। এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম এবং গন্ধমতি স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা অংশ নেন। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে স্বজন ও প্রতিবেশীরা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ এরই মধ্যে তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে। আটক তুহিনের বাসা থেকে অপ্রতিমের কাছে থাকা আইফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আইফোনটি তুহিনের কাছে থাকার বিষয়টি তার মা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অপ্রতিমের পরিবারের মতো তারাও সন্তানের এই ঘটনায় অত্যন্ত ব্যথিত এবং সুষ্ঠু বিচার চান।

উল্লেখ্য, অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শালবন বিহারে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে সে বাসা থেকে বের হয়েছিল। সন্ধ্যার পরও বাসায় না ফেরায় তার মা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ সফরে ইরানের প্রতিনিধিদলের জন্য কঠোর মার্কিন বিধিনিষেধ

সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলো কিশোর অপ্রতিম

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুকফাটা আর্তনাদে একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন তার মা-বাবা। স্বজন, প্রতিবেশী এবং সারাদেশের মানুষের চোখের পানিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৩ বছর বয়সী এই কিশোরকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ অপ্রতিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছিলেন অনেকে, কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় জানাজা শেষে কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি গোরস্থানে অপ্রতিমকে দাফন করা হয়। এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম এবং গন্ধমতি স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা অংশ নেন। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে স্বজন ও প্রতিবেশীরা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ এরই মধ্যে তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে। আটক তুহিনের বাসা থেকে অপ্রতিমের কাছে থাকা আইফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আইফোনটি তুহিনের কাছে থাকার বিষয়টি তার মা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অপ্রতিমের পরিবারের মতো তারাও সন্তানের এই ঘটনায় অত্যন্ত ব্যথিত এবং সুষ্ঠু বিচার চান।

উল্লেখ্য, অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শালবন বিহারে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে সে বাসা থেকে বের হয়েছিল। সন্ধ্যার পরও বাসায় না ফেরায় তার মা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।