লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপ্রতিম হত্যা: অভিভাবকদের আতঙ্ক ও দায় চাপানোর প্রবণতা

কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১৩ বছর বয়সী কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে অনেক বাবা-মা এখন সন্তানদের সুরক্ষায় শরীরে জিপিএস ট্র্যাকার, জুতো বা স্কুল ব্যাগে ট্র্যাকার লাগানো কিংবা স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারের মতো নানা উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে এই নৃশংস ঘটনার পর যেভাবে অপ্রতিমের মা-বাবা কিংবা তার হাতে থাকা আইফোনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধবিজ্ঞানীরা।

সিলেটের জগন্নাথপুরের বাসিন্দা ইকবাল আহমেদ নিজের সাড়ে চার বছরের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে আতঙ্কের কথা ফেসবুকে শেয়ার করলে অর্ধশতাধিক অভিভাবক সেখানে নিজ নিজ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ সন্তানদের স্মার্ট ওয়াচ পরানোর পরামর্শ দিলেও অন্য এক অভিভাবক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ওই স্মার্ট ওয়াচটি কেড়ে নেওয়ার জন্যও তো শিশুর ওপর হামলা হতে পারে। ইকবাল আহমেদ বলেন, তিনি চান সরকার যেন শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কেবল মা-বাবা খেয়াল রাখবে বা মা-বাবা দায়িত্ব নেবে—এমন কথা বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা আড়াল করা যাবে না।

বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম গত শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে অপ্রতিমকে নির্জন জঙ্গলে নেওয়া হয়েছিল। বাধা দেওয়ায় বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় অপ্রতিমের বাবার করা মামলায় সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন কিশোর। তুহিনের বাসা থেকে ছিনতাই হওয়া আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং তদন্তে ৫ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে আরেকটি বিরোধের তথ্যও পেয়েছে পুলিশ।

অপ্রতিমের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই অভিযোগ তুলছেন যে, সে কেন বয়সে বড়দের সঙ্গে মিশত, মোটরসাইকেল চালাত বা টিকটক করত—সেসব বিষয় তার মা-বাবা কেন জানতেন না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে এককেন্দ্রিক দায় চাপিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা এড়ানোর সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ফাতেমা রেজিনা ইকবাল বলেন, শিশুরা পরিচিত-অপরিচিত নানা মানুষের মাধ্যমে হত্যার শিকার হচ্ছে। বর্তমানের ছোট ও একক পরিবারে সার্বক্ষণিকভাবে শিশুকে নজরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। কিশোর বয়সীরা সবসময় খবরদারি মেনেও নিতে চায় না। তাই ঘটনার পর পরিবারের ওপর দায় না চাপিয়ে কীভাবে শিশুর জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ মনে করেন, রাজনৈতিক বিদ্বেষ, পারিবারিক সংঘাত বা পূর্বশত্রুতা থেকে প্রতিশোধ নিতেও দেশে শিশুহত্যার ঘটনা ঘটছে। বিচারের দীর্ঘসূত্রতা ও অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত না করার কারণেই এই অপরাধ বাড়ছে। তিনি বলেন, শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকা দরকার। পাশাপাশি কিশোর অপরাধের ক্ষেত্রে সমবয়সীদের চাপ বা প্রভাবের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা জরুরি।

পুলিশের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র সাত মাসেই দেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ এই শিশুরা আদৌ বেঁচে আছে কি না, তা কেউ জানে না। অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৩৬ জন নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুধু দামি জিনিসের জন্যই শিশুরা হামলার শিকার হচ্ছে না। গত ১০ সেপ্টেম্বর জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশু বিদ্যালয়ে গিয়ে আর ফেরেনি। দুই দিন পর সহপাঠীর বাড়ির মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, সহপাঠীর বাবা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন। এছাড়া গত ৯ সেপ্টেম্বর পাবনা সদরে নিখোঁজ হওয়া ১০ বছরের এক শিশুর লাশ ১৬ সেপ্টেম্বর ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর মিরপুরের শিশু ইব্রাহিমও প্রায় চার মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এসব ভুক্তভোগী শিশুর কারও কাছেই কোনো দামি জিনিসপত্র ছিল না।

নিখোঁজ শিশুরা বেঁচে আছে কি না, সে তথ্য জানা নেই কারও।.ইকবালের পোস্টে এক নারী কমেন্ট করেছেন, ‘আমার ছেলের বয়স ১১ বছর।

বিচারের দীর্ঘসূত্রতা আর দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত সাজা নিশ্চিত না করায় শিশুহত্যার ঘটনা বাড়ছে।রেজাউল করিম সোহাগ, চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগ.পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে দেশে শিশু নিখোঁজের ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিডিও ফাঁস থেকে স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি গাজী নজরুলের নাটকীয় পতন

অপ্রতিম হত্যা: অভিভাবকদের আতঙ্ক ও দায় চাপানোর প্রবণতা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১৩ বছর বয়সী কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে অনেক বাবা-মা এখন সন্তানদের সুরক্ষায় শরীরে জিপিএস ট্র্যাকার, জুতো বা স্কুল ব্যাগে ট্র্যাকার লাগানো কিংবা স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারের মতো নানা উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে এই নৃশংস ঘটনার পর যেভাবে অপ্রতিমের মা-বাবা কিংবা তার হাতে থাকা আইফোনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধবিজ্ঞানীরা।

সিলেটের জগন্নাথপুরের বাসিন্দা ইকবাল আহমেদ নিজের সাড়ে চার বছরের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে আতঙ্কের কথা ফেসবুকে শেয়ার করলে অর্ধশতাধিক অভিভাবক সেখানে নিজ নিজ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ সন্তানদের স্মার্ট ওয়াচ পরানোর পরামর্শ দিলেও অন্য এক অভিভাবক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ওই স্মার্ট ওয়াচটি কেড়ে নেওয়ার জন্যও তো শিশুর ওপর হামলা হতে পারে। ইকবাল আহমেদ বলেন, তিনি চান সরকার যেন শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কেবল মা-বাবা খেয়াল রাখবে বা মা-বাবা দায়িত্ব নেবে—এমন কথা বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা আড়াল করা যাবে না।

বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম গত শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে অপ্রতিমকে নির্জন জঙ্গলে নেওয়া হয়েছিল। বাধা দেওয়ায় বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় অপ্রতিমের বাবার করা মামলায় সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন কিশোর। তুহিনের বাসা থেকে ছিনতাই হওয়া আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং তদন্তে ৫ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে আরেকটি বিরোধের তথ্যও পেয়েছে পুলিশ।

অপ্রতিমের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই অভিযোগ তুলছেন যে, সে কেন বয়সে বড়দের সঙ্গে মিশত, মোটরসাইকেল চালাত বা টিকটক করত—সেসব বিষয় তার মা-বাবা কেন জানতেন না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে এককেন্দ্রিক দায় চাপিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা এড়ানোর সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ফাতেমা রেজিনা ইকবাল বলেন, শিশুরা পরিচিত-অপরিচিত নানা মানুষের মাধ্যমে হত্যার শিকার হচ্ছে। বর্তমানের ছোট ও একক পরিবারে সার্বক্ষণিকভাবে শিশুকে নজরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। কিশোর বয়সীরা সবসময় খবরদারি মেনেও নিতে চায় না। তাই ঘটনার পর পরিবারের ওপর দায় না চাপিয়ে কীভাবে শিশুর জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ মনে করেন, রাজনৈতিক বিদ্বেষ, পারিবারিক সংঘাত বা পূর্বশত্রুতা থেকে প্রতিশোধ নিতেও দেশে শিশুহত্যার ঘটনা ঘটছে। বিচারের দীর্ঘসূত্রতা ও অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত না করার কারণেই এই অপরাধ বাড়ছে। তিনি বলেন, শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকা দরকার। পাশাপাশি কিশোর অপরাধের ক্ষেত্রে সমবয়সীদের চাপ বা প্রভাবের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা জরুরি।

পুলিশের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র সাত মাসেই দেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ এই শিশুরা আদৌ বেঁচে আছে কি না, তা কেউ জানে না। অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৩৬ জন নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুধু দামি জিনিসের জন্যই শিশুরা হামলার শিকার হচ্ছে না। গত ১০ সেপ্টেম্বর জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশু বিদ্যালয়ে গিয়ে আর ফেরেনি। দুই দিন পর সহপাঠীর বাড়ির মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, সহপাঠীর বাবা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন। এছাড়া গত ৯ সেপ্টেম্বর পাবনা সদরে নিখোঁজ হওয়া ১০ বছরের এক শিশুর লাশ ১৬ সেপ্টেম্বর ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর মিরপুরের শিশু ইব্রাহিমও প্রায় চার মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এসব ভুক্তভোগী শিশুর কারও কাছেই কোনো দামি জিনিসপত্র ছিল না।

নিখোঁজ শিশুরা বেঁচে আছে কি না, সে তথ্য জানা নেই কারও।.ইকবালের পোস্টে এক নারী কমেন্ট করেছেন, ‘আমার ছেলের বয়স ১১ বছর।

বিচারের দীর্ঘসূত্রতা আর দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত সাজা নিশ্চিত না করায় শিশুহত্যার ঘটনা বাড়ছে।রেজাউল করিম সোহাগ, চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগ.পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে দেশে শিশু নিখোঁজের ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে।