লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময় জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, বিএনপির প্রতিটি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং তাদের নীতি হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ ও শাসনে বাংলাদেশ যে ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তা পুনর্গঠন এখন জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরবিশিষ্ট কৌশল গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকার প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময় জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময় জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, বিএনপির প্রতিটি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং তাদের নীতি হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ ও শাসনে বাংলাদেশ যে ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তা পুনর্গঠন এখন জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরবিশিষ্ট কৌশল গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকার প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।