লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে এসডিজি অর্জনের ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ ও শাসনের কারণে বাংলাদেশ একটি ঋণ ও আমদানি নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভেঙে পড়া এই রাষ্ট্রটিকে এখন পুনর্গঠন করার সময় এসেছে। আর দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ' শীর্ষক এই সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘের ঘোষিত এসডিজির সঙ্গে সমন্বিত করা হয়েছে। সরকারের গৃহীত 'সংস্কার ও উন্নয়নের ৫ স্তম্ভের' মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনের মতো এসডিজির মূল অগ্রাধিকারগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে অতীতে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) বাস্তবায়নে সফলতার পরিচয় দিয়েছিল, ঠিক একইভাবে সাস্টেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়নেও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে। এসডিজির মূল প্রতিপাদ্য 'কাউকে পেছনে ফেলে নয়'-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল শ্রেণি-পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে সরকারের মূল নীতি হলো 'সবার জন্য বাংলাদেশ'।

বিএনপির দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সকল পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব ছিল। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার 'ভিশন ২০৩০' এবং বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বিশ্লেষণ করলেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐতিহাসিকভাবে এই প্রতিটি ভিশন ও মিশনের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির ব্যাপক মিল রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনায় সিমেন্টবোঝাই ট্রলার ডুবি, কোটি টাকার ক্ষতির দাবি মালিকের

ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে এসডিজি অর্জনের ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ ও শাসনের কারণে বাংলাদেশ একটি ঋণ ও আমদানি নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভেঙে পড়া এই রাষ্ট্রটিকে এখন পুনর্গঠন করার সময় এসেছে। আর দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ' শীর্ষক এই সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘের ঘোষিত এসডিজির সঙ্গে সমন্বিত করা হয়েছে। সরকারের গৃহীত 'সংস্কার ও উন্নয়নের ৫ স্তম্ভের' মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনের মতো এসডিজির মূল অগ্রাধিকারগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে অতীতে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) বাস্তবায়নে সফলতার পরিচয় দিয়েছিল, ঠিক একইভাবে সাস্টেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়নেও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে। এসডিজির মূল প্রতিপাদ্য 'কাউকে পেছনে ফেলে নয়'-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল শ্রেণি-পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে সরকারের মূল নীতি হলো 'সবার জন্য বাংলাদেশ'।

বিএনপির দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সকল পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব ছিল। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার 'ভিশন ২০৩০' এবং বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বিশ্লেষণ করলেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐতিহাসিকভাবে এই প্রতিটি ভিশন ও মিশনের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির ব্যাপক মিল রয়েছে।