লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরগি ও ডিমের বাজারে খামারি বনাম খুচরা মূল্যের বড় ব্যবধান

রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের চড়া দাম থাকলেও এর সুফল পাচ্ছেন না প্রান্তিক খামারিরা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হলেও খামারিরা তা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন মাত্র ১৩৪ টাকা কেজি দরে। উৎপাদন খরচ এবং বিক্রয়মূল্যের এই বিশাল পার্থক্যের কারণে খামারিরা চরম লোকসানের শিকার হচ্ছেন। এক খামারি জানিয়েছেন, মুরগির এক চালানেই তাকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।

ডিম উৎপাদনকারী খামারিদের অবস্থাও একই। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ প্রান্তিক খামারি আরিফুল ইসলামের তথ্যমতে, তিনি প্রতি পিস ডিম ৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেছেন, যার মানে খামার পর্যায়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম পড়ছে ১০২ টাকা। অর্থাৎ খুচরা বাজার ও খামার পর্যায়ের দামে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা।

খামারিদের অভিযোগ, পোলট্রি খাবার ও ওষুধের দাম ক্রমাগত বাড়লেও তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়ছে না। উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের এই ভারসাম্যহীনতা খামারিদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। পোলট্রি শিল্পের এই নাজুক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কতটা কাজ করছে এবং খাবারের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে আসল কারণ কী?

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন চাপে ইরানের সীমান্তপথ বন্ধ করলো পাকিস্তান ও ইরাক

মুরগি ও ডিমের বাজারে খামারি বনাম খুচরা মূল্যের বড় ব্যবধান

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের চড়া দাম থাকলেও এর সুফল পাচ্ছেন না প্রান্তিক খামারিরা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হলেও খামারিরা তা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন মাত্র ১৩৪ টাকা কেজি দরে। উৎপাদন খরচ এবং বিক্রয়মূল্যের এই বিশাল পার্থক্যের কারণে খামারিরা চরম লোকসানের শিকার হচ্ছেন। এক খামারি জানিয়েছেন, মুরগির এক চালানেই তাকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।

ডিম উৎপাদনকারী খামারিদের অবস্থাও একই। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ প্রান্তিক খামারি আরিফুল ইসলামের তথ্যমতে, তিনি প্রতি পিস ডিম ৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেছেন, যার মানে খামার পর্যায়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম পড়ছে ১০২ টাকা। অর্থাৎ খুচরা বাজার ও খামার পর্যায়ের দামে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা।

খামারিদের অভিযোগ, পোলট্রি খাবার ও ওষুধের দাম ক্রমাগত বাড়লেও তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়ছে না। উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের এই ভারসাম্যহীনতা খামারিদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। পোলট্রি শিল্পের এই নাজুক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কতটা কাজ করছে এবং খাবারের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে আসল কারণ কী?