লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান ও পদায়নের বাধা কাটল

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের যোগদান এবং পদায়নের প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষকদের যোগদানের ক্ষেত্রে আর কোনো জটিলতা থাকল না। একই সঙ্গে তাদের পদায়ন নিয়েও সৃষ্ট শঙ্কা দূর হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তরে আনুষ্ঠানিক আদেশ পৌঁছানোর পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই যোগদান কার্যক্রম শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ১ অক্টোবরের মধ্যেই সকল সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের নিয়োগপত্র হাতে পাবেন এবং এরপর তাদের পদায়ন সম্পন্ন হবে। তবে পদায়ন পেলেও শিক্ষকরা সরাসরি ক্লাসে অংশ নেবেন না।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ জানান, যোগদানের পরপরই নতুন শিক্ষকদের দুই মাসের প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি এটিকে চাকরির একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন পূর্বে নিয়োগে অনিয়ম ও তাড়াহুড়োর বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করলেও, বর্তমানে মন্ত্রণালয় সেই কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে। প্রশিক্ষণের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের দুজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নি

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডন থেকে ঢাকাগামী বিমানে মাঝ আকাশে যাত্রীদের মারামারি

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান ও পদায়নের বাধা কাটল

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের যোগদান এবং পদায়নের প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষকদের যোগদানের ক্ষেত্রে আর কোনো জটিলতা থাকল না। একই সঙ্গে তাদের পদায়ন নিয়েও সৃষ্ট শঙ্কা দূর হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তরে আনুষ্ঠানিক আদেশ পৌঁছানোর পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই যোগদান কার্যক্রম শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ১ অক্টোবরের মধ্যেই সকল সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের নিয়োগপত্র হাতে পাবেন এবং এরপর তাদের পদায়ন সম্পন্ন হবে। তবে পদায়ন পেলেও শিক্ষকরা সরাসরি ক্লাসে অংশ নেবেন না।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ জানান, যোগদানের পরপরই নতুন শিক্ষকদের দুই মাসের প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি এটিকে চাকরির একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন পূর্বে নিয়োগে অনিয়ম ও তাড়াহুড়োর বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করলেও, বর্তমানে মন্ত্রণালয় সেই কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে। প্রশিক্ষণের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের দুজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নি