লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢামেক ক্যাম্পাসে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং চলছে নানা প্রস্তুতি।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় নবনির্মিত দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়াও তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে একটি মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন। তারা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত করেছে এবং এই সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি নানা সংকটের মধ্যেও নীরবে জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা আশাবাদী।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢামেক ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, যার অবদান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অবিস্মরণীয়। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা স্মরণ করে বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রিয় ক্যাম্পাসে আগমন অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢামেক ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম প্রধানমন্ত্রীর কর্মস্পৃহার প্রশংসা করে বলেন, সরকারের সুপরিকল্পিত ও আধুনিক পদক্ষেপগুলো স্বাস্থ্যখাতে নতুন প্রেরণা যোগাবে। এছাড়া ঢামেকসুর সাবেক জিএস ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান এবং সাবেক ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা এই সফরকে ঐতিহ্য রক্ষা ও তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বলেন, নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পাওয়ার সুযোগে তারা স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো সরাসরি তাঁর কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা করছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৩০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢামেক ক্যাম্পাসে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং চলছে নানা প্রস্তুতি।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় নবনির্মিত দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়াও তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে একটি মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন। তারা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত করেছে এবং এই সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি নানা সংকটের মধ্যেও নীরবে জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা আশাবাদী।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢামেক ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, যার অবদান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অবিস্মরণীয়। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা স্মরণ করে বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রিয় ক্যাম্পাসে আগমন অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢামেক ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম প্রধানমন্ত্রীর কর্মস্পৃহার প্রশংসা করে বলেন, সরকারের সুপরিকল্পিত ও আধুনিক পদক্ষেপগুলো স্বাস্থ্যখাতে নতুন প্রেরণা যোগাবে। এছাড়া ঢামেকসুর সাবেক জিএস ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান এবং সাবেক ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা এই সফরকে ঐতিহ্য রক্ষা ও তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বলেন, নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পাওয়ার সুযোগে তারা স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো সরাসরি তাঁর কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা করছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।