লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি

দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানের গতিশীল ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের কাজের মানোন্নয়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে এসেছে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তার কঠোর ও আপসহীন অবস্থান অধিদপ্তরের প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি করেছে নতুন উদ্দীপনা ও আস্থার পরিবেশ।

মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মতে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর দৃঢ় প্রশাসনিক দক্ষতা, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই অধিদপ্তরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বেড়েছে। উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তিনি অনুসরণ করছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন কিংবা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করার অভিযোগে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনি নিয়েছেন কঠোর ও সাহসী পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মীদের মতে, প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান শুধু একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নন, তিনি মাঠপর্যায়ের সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতিকেও গুরুত্ব দেন। অতীতে স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার তার প্রশাসনিক অবস্থান ও কাজের স্বচ্ছতার কারণে টেকসই হয়নি। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী দাপ্তরিক নিয়মকানুন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) এবং সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। অনিয়মে জড়িত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ডিবার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি অধিদপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করছে।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, প্রধান প্রকৌশলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের ফলে কাজের মান ও গতি বহুগুণ বেড়েছে। তিনি জটিল প্রকল্পের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও মূল্যায়ন কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) ফিরোজ আলম বলেন, খালেকুজ্জামানের মতো একজন সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা নেতৃত্বে থাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা অপপ্রচারে কখনো নীতি থেকে সরে দাঁড়াননি, বরং রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

নিজের কাজের লক্ষ্য সম্পর্কে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। তিনি সবসময় দাপ্তরিক বিধিবিধান, সরকারি ক্রয় বিধিমালা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করে স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ষষ্ঠ

গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানের গতিশীল ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের কাজের মানোন্নয়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে এসেছে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তার কঠোর ও আপসহীন অবস্থান অধিদপ্তরের প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি করেছে নতুন উদ্দীপনা ও আস্থার পরিবেশ।

মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মতে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর দৃঢ় প্রশাসনিক দক্ষতা, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই অধিদপ্তরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বেড়েছে। উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তিনি অনুসরণ করছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন কিংবা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করার অভিযোগে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনি নিয়েছেন কঠোর ও সাহসী পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মীদের মতে, প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান শুধু একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নন, তিনি মাঠপর্যায়ের সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতিকেও গুরুত্ব দেন। অতীতে স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার তার প্রশাসনিক অবস্থান ও কাজের স্বচ্ছতার কারণে টেকসই হয়নি। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী দাপ্তরিক নিয়মকানুন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) এবং সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। অনিয়মে জড়িত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ডিবার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি অধিদপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করছে।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, প্রধান প্রকৌশলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের ফলে কাজের মান ও গতি বহুগুণ বেড়েছে। তিনি জটিল প্রকল্পের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও মূল্যায়ন কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) ফিরোজ আলম বলেন, খালেকুজ্জামানের মতো একজন সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা নেতৃত্বে থাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা অপপ্রচারে কখনো নীতি থেকে সরে দাঁড়াননি, বরং রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

নিজের কাজের লক্ষ্য সম্পর্কে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। তিনি সবসময় দাপ্তরিক বিধিবিধান, সরকারি ক্রয় বিধিমালা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করে স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।