লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড: জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে লাল কার্ডের কথা উঠলেই ফুটবলপ্রেমীদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে জিনেদিন জিদানের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুস মেরে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন অধিনায়ক জিদান। শিরোপার খুব কাছে গিয়েও তার এভাবে বিদায় নেওয়াটা অনেকের কাছেই এখনো কষ্টের স্মৃতি। অনেকে মনে করেন, সেদিন জিদান মাঠে থাকলে হয়তো ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।

একই রকম আক্ষেপের বৃত্তে বন্দি এখন এনজো ফার্নান্দেজও। ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয় এবং ম্যাচটি পুরোপুরি স্পেনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এনজো যদি সেই কার্ড না দেখতেন, তবে হয়তো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের মতো এখানেও কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসতে পারত।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯৭০ সাল থেকে লাল ও হলুদ কার্ডের প্রচলন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন খেলোয়াড় ফাইনাল ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন, যার মধ্যে তিনজনই আর্জেন্টিনার। ১৯৯০ সালের ফাইনালে জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার পেদ্রো মোনজোন। এর মাত্র ২২ মিনিট পর গুস্তাভো দেজোত্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ৯ জনের দলে পরিণত হয় এবং পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে।

২০১০ সালের ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছিলেন নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার জন হেইতিঙ্গা। ৫৭ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ১০৯ মিনিটে জাভিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। হেইতিঙ্গার বিদায়ের পর ১০ জনের নেদারল্যান্ডস আর লড়াই করতে পারেনি এবং ইনিয়েস্তার গোলে স্পেন শিরোপা জিতে নেয়। এরপর টানা তিনটি ফাইনাল লাল কার্ড ছাড়াই শেষ হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ১৬ বছর পর এনজো ফার্নান্দেজের মাধ্যমে সেই পুরনো ধারাই ফিরে এল। ৮২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ৯৩ মিনিটে পাও কুবারসিকে ফাউল করে এনজো দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি দেখেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ডপসের সচেতনতামূলক মাঠ বৈঠক

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড: জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে লাল কার্ডের কথা উঠলেই ফুটবলপ্রেমীদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে জিনেদিন জিদানের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুস মেরে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন অধিনায়ক জিদান। শিরোপার খুব কাছে গিয়েও তার এভাবে বিদায় নেওয়াটা অনেকের কাছেই এখনো কষ্টের স্মৃতি। অনেকে মনে করেন, সেদিন জিদান মাঠে থাকলে হয়তো ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।

একই রকম আক্ষেপের বৃত্তে বন্দি এখন এনজো ফার্নান্দেজও। ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয় এবং ম্যাচটি পুরোপুরি স্পেনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এনজো যদি সেই কার্ড না দেখতেন, তবে হয়তো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের মতো এখানেও কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসতে পারত।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯৭০ সাল থেকে লাল ও হলুদ কার্ডের প্রচলন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন খেলোয়াড় ফাইনাল ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন, যার মধ্যে তিনজনই আর্জেন্টিনার। ১৯৯০ সালের ফাইনালে জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার পেদ্রো মোনজোন। এর মাত্র ২২ মিনিট পর গুস্তাভো দেজোত্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ৯ জনের দলে পরিণত হয় এবং পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে।

২০১০ সালের ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছিলেন নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার জন হেইতিঙ্গা। ৫৭ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ১০৯ মিনিটে জাভিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। হেইতিঙ্গার বিদায়ের পর ১০ জনের নেদারল্যান্ডস আর লড়াই করতে পারেনি এবং ইনিয়েস্তার গোলে স্পেন শিরোপা জিতে নেয়। এরপর টানা তিনটি ফাইনাল লাল কার্ড ছাড়াই শেষ হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ১৬ বছর পর এনজো ফার্নান্দেজের মাধ্যমে সেই পুরনো ধারাই ফিরে এল। ৮২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ৯৩ মিনিটে পাও কুবারসিকে ফাউল করে এনজো দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি দেখেন।