লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধ্যমিকে ইংরেজি ও গণিতের ৮৫ শতাংশ শিক্ষকেরই নেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ডিগ্রি

দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি ও গণিত পড়ানো শিক্ষকদের বিশাল একটি অংশের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেই। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সাম্প্রতিক তথ্যে এই আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গণিত পড়ানো শিক্ষকদের ৮৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ইংরেজি শিক্ষকদের ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশেরই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষার কোনো ডিগ্রি নেই।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে। এই ফল বিশ্লেষণে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে দুর্বলতা বিশেষভাবে ধরা পড়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শ্রেণিকক্ষে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবই শিক্ষার্থীদের এই দুর্বলতার অন্যতম প্রধান কারণ।

ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে মোট গণিত শিক্ষকের সংখ্যা ৬৪ হাজার ১৪৭ জন। এর মধ্যে গণিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে মাত্র ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষকের। অর্থাৎ, বাকি ৮৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ শিক্ষক অন্য বিষয়ের ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষার্থীদের গণিত পড়াচ্ছেন।

ইংরেজির ক্ষেত্রেও চিত্রটি প্রায় একই রকম হতাশাজনক। মাধ্যমিক স্তরে বর্তমানে ৬০ হাজার ৮৫৭ জন ইংরেজি শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। তাদের মধ্যে ইংরেজিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৯ হাজার ৩৭৬ জন, যা মোট শিক্ষকের মাত্র ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। অবশিষ্ট ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষক অন্য বিষয়ে পড়াশোনা করে এসে ইংরেজি পড়াচ্ছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক শিক্ষকই শ্রেণিকক্ষে গণিতের পর্যাপ্ত অনুশীলনের ওপর জোর দেন না। পরিবর্তে তারা বিভিন্ন সূত্র ও নিয়ম মুখস্থ করানোর দিকে বেশি মনোযোগী থাকেন। এর ফলে পরীক্ষার প্রশ্নে সামান্য পরিবর্তন এলেই শিক্ষার্থীরা তা সমাধান করতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে এবং ভুল করছে। অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অন্য বিষয়ের শিক্ষকদের দিয়ে ইংরেজি বা গণিত ক্লাস নিচ্ছেন, যা পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল করে দিচ্ছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল বিশ্লেষণেও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের এই দুর্বলতার চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার সবচেয়ে কম—মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বোর্ডে প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৩ জনই ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়েছে।

এছাড়া বরিশাল বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৬৯ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ। যশোর বোর্ডে ৭১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ঢাকা বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে পাস করেছে। কুমিল্লা বোর্ডে এই পাসের হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

গণিতেও অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার সন্তোষজনক নয়। ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৬৯ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭০ দশমিক ৯২ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭১ দশমিক ৫ শতাংশ, সিলেটে ৭৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭৭ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৭৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর ও চট্টগ্রাম বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আব্দুল হালিম এ বিষয়ে বলেন, দেশের বিদ্যালয়গুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংকট বহুদিনের পুরোনো সমস্যা। সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এই সংকট রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান বাড়াতে দক্ষ শিক্ষকদের এই পেশায় নিয়ে আসার জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী জানান, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংকট অত্যন্ত প্রকট। এই শিক্ষক সংকট দূর করার পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে শহর ও গ্রামের শিক্ষার মধ্যকার বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি।

এই সংকটের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের স্কুলেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই সরকারি স্কুলগুলোর শূন্যপদ যাচাই করে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নিচ্ছি। পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে পর্যায়ক্রমে এসব শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও সুযোগ নিশ্চিত করাই দেশের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করা

মাধ্যমিকে ইংরেজি ও গণিতের ৮৫ শতাংশ শিক্ষকেরই নেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ডিগ্রি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি ও গণিত পড়ানো শিক্ষকদের বিশাল একটি অংশের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেই। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সাম্প্রতিক তথ্যে এই আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গণিত পড়ানো শিক্ষকদের ৮৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ইংরেজি শিক্ষকদের ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশেরই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষার কোনো ডিগ্রি নেই।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে। এই ফল বিশ্লেষণে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে দুর্বলতা বিশেষভাবে ধরা পড়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শ্রেণিকক্ষে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবই শিক্ষার্থীদের এই দুর্বলতার অন্যতম প্রধান কারণ।

ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে মোট গণিত শিক্ষকের সংখ্যা ৬৪ হাজার ১৪৭ জন। এর মধ্যে গণিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে মাত্র ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষকের। অর্থাৎ, বাকি ৮৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ শিক্ষক অন্য বিষয়ের ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষার্থীদের গণিত পড়াচ্ছেন।

ইংরেজির ক্ষেত্রেও চিত্রটি প্রায় একই রকম হতাশাজনক। মাধ্যমিক স্তরে বর্তমানে ৬০ হাজার ৮৫৭ জন ইংরেজি শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। তাদের মধ্যে ইংরেজিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৯ হাজার ৩৭৬ জন, যা মোট শিক্ষকের মাত্র ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। অবশিষ্ট ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষক অন্য বিষয়ে পড়াশোনা করে এসে ইংরেজি পড়াচ্ছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক শিক্ষকই শ্রেণিকক্ষে গণিতের পর্যাপ্ত অনুশীলনের ওপর জোর দেন না। পরিবর্তে তারা বিভিন্ন সূত্র ও নিয়ম মুখস্থ করানোর দিকে বেশি মনোযোগী থাকেন। এর ফলে পরীক্ষার প্রশ্নে সামান্য পরিবর্তন এলেই শিক্ষার্থীরা তা সমাধান করতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে এবং ভুল করছে। অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অন্য বিষয়ের শিক্ষকদের দিয়ে ইংরেজি বা গণিত ক্লাস নিচ্ছেন, যা পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল করে দিচ্ছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল বিশ্লেষণেও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের এই দুর্বলতার চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার সবচেয়ে কম—মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বোর্ডে প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৩ জনই ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়েছে।

এছাড়া বরিশাল বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৬৯ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ। যশোর বোর্ডে ৭১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ঢাকা বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে পাস করেছে। কুমিল্লা বোর্ডে এই পাসের হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

গণিতেও অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার সন্তোষজনক নয়। ময়মনসিংহ ও মাদরাসা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৬৯ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭০ দশমিক ৯২ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭১ দশমিক ৫ শতাংশ, সিলেটে ৭৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ, রাজশাহীতে ৭৭ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৭৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর ও চট্টগ্রাম বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আব্দুল হালিম এ বিষয়ে বলেন, দেশের বিদ্যালয়গুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংকট বহুদিনের পুরোনো সমস্যা। সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এই সংকট রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান বাড়াতে দক্ষ শিক্ষকদের এই পেশায় নিয়ে আসার জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী জানান, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংকট অত্যন্ত প্রকট। এই শিক্ষক সংকট দূর করার পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে শহর ও গ্রামের শিক্ষার মধ্যকার বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি।

এই সংকটের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের স্কুলেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই সরকারি স্কুলগুলোর শূন্যপদ যাচাই করে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নিচ্ছি। পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে পর্যায়ক্রমে এসব শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হয়।