লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংঘর্ষ নিয়ে মুখ খুললেন স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে স্পেন। শিরোপা জয়ের এই আনন্দঘন মুহূর্তের পাশাপাশি ম্যাচ-পরবর্তী দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার কয়েকদিন পর প্রথমবারের মতো এ বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম টিভিইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে জানান, ম্যাচ শেষে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংঘর্ষের বিষয়টি লক্ষ্য করেননি। কারণ তখন তিনি পুরো দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ভিডিও ফুটেজ দেখে পুরো বিষয়টি জানার পর তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'সেই মুহূর্তে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি, কারণ আমরা উদযাপনে ব্যস্ত ছিলাম। পরে ভিডিও দেখে পুরো ঘটনা জানতে পারি। এমন আচরণ সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং গ্রহণযোগ্য নয়। ফুটবলে এর কোনো স্থান নেই।'

ফাইনালের পর ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। তদন্তের আওতায় রয়েছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির উত্তপ্ত মুহূর্ত এবং আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার সঙ্গে দানি ওলমোর মধ্যকার ঘটনা। দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন, বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে খেলোয়াড়দের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, 'এত বড় মাপের ফুটবলারদের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়। তাদের একজন অভিজ্ঞ কোচও আছেন, যিনি নিশ্চয়ই এসব দেখে আমাদের মতোই হতাশ হয়েছেন। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।'

তবে প্রতিপক্ষের উসকানি ও উত্তেজনার মুখেও নিজের দলের খেলোয়াড়রা যে ধৈর্য ও সংযম দেখিয়েছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্প্যানিশ কোচ। তিনি বলেন, 'আমি আমাদের খেলোয়াড়দের আচরণের প্রশংসা করতে চাই। তারা উসকানি ও আক্রমণের মুখেও প্রকৃত ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা দেখিয়েছে এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি।'

দীর্ঘ ১৬ বছর পর শিরোপা জেতার অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দে লা ফুয়েন্তে জানান, কঠিন আবহাওয়া, ভ্রমণ এবং টানা পরিশ্রমের পর অর্জিত এই সাফল্যের গুরুত্ব তিনি হয়তো সময়ের সঙ্গে আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৬ সালেই স্পেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক

আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংঘর্ষ নিয়ে মুখ খুললেন স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে স্পেন। শিরোপা জয়ের এই আনন্দঘন মুহূর্তের পাশাপাশি ম্যাচ-পরবর্তী দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার কয়েকদিন পর প্রথমবারের মতো এ বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম টিভিইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে জানান, ম্যাচ শেষে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংঘর্ষের বিষয়টি লক্ষ্য করেননি। কারণ তখন তিনি পুরো দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ভিডিও ফুটেজ দেখে পুরো বিষয়টি জানার পর তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'সেই মুহূর্তে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি, কারণ আমরা উদযাপনে ব্যস্ত ছিলাম। পরে ভিডিও দেখে পুরো ঘটনা জানতে পারি। এমন আচরণ সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং গ্রহণযোগ্য নয়। ফুটবলে এর কোনো স্থান নেই।'

ফাইনালের পর ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। তদন্তের আওতায় রয়েছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির উত্তপ্ত মুহূর্ত এবং আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার সঙ্গে দানি ওলমোর মধ্যকার ঘটনা। দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন, বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে খেলোয়াড়দের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, 'এত বড় মাপের ফুটবলারদের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়। তাদের একজন অভিজ্ঞ কোচও আছেন, যিনি নিশ্চয়ই এসব দেখে আমাদের মতোই হতাশ হয়েছেন। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।'

তবে প্রতিপক্ষের উসকানি ও উত্তেজনার মুখেও নিজের দলের খেলোয়াড়রা যে ধৈর্য ও সংযম দেখিয়েছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্প্যানিশ কোচ। তিনি বলেন, 'আমি আমাদের খেলোয়াড়দের আচরণের প্রশংসা করতে চাই। তারা উসকানি ও আক্রমণের মুখেও প্রকৃত ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা দেখিয়েছে এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি।'

দীর্ঘ ১৬ বছর পর শিরোপা জেতার অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দে লা ফুয়েন্তে জানান, কঠিন আবহাওয়া, ভ্রমণ এবং টানা পরিশ্রমের পর অর্জিত এই সাফল্যের গুরুত্ব তিনি হয়তো সময়ের সঙ্গে আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৬ সালেই স্পেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো।