লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে বোতলবন্দি করে ফাইনালে স্পেন

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণভাগকে কৌশলী জালে আটকে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে এবং ব্র্যাডলি বারকোলা—দিদিয়ে দেশমের দলের এই চার অস্ত্রকে কোনো সুযোগই দেয়নি স্প্যানিশরা। ম্যাচটি ছিল মূলত স্পেনের নিখুঁত কৌশলের কাছে ফ্রান্সের অসহায় আত্মসমর্পণের গল্প।

পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ৯০ মিনিটে এমবাপ্পে বল স্পর্শ করেছেন মাত্র ৩৭ বার এবং একটিও ক্লিয়ারকাট গোল করার সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের এক্সপেক্টেড গোল (এক্সজি) ছিল মাত্র ০.৩, যা এই বিশ্বকাপে তাদের সর্বনিম্ন। ম্যাচের ৮২ মিনিটের আগে ফ্রান্স একটিও শট অন টার্গেট নিতে পারেনি, যেখানে বদলি খেলোয়াড় দেজিরে দুয়ে প্রথমবার স্পেনের গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলেন।

স্পেনের এই সাফল্যের পেছনে ছিল তাদের সম্মিলিত দলীয় শক্তি। রদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বয়ে স্পেনের পজিশনাল প্রেস এবং পাঁচ সেকেন্ডের কাউন্টার প্রেস ফ্রান্সকে কোনো ছন্দ খুঁজে নিতে দেয়নি। ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা যখনই বল পেয়েছেন, তখনই তারা চারদিক থেকে লাল জার্সির বেষ্টনীতে আটকা পড়েছেন। এমবাপ্পে স্বীকার করেছেন যে, শুরু থেকেই তাদের প্রেসিং কাঠামো ভুল ছিল, যা স্পেনকে অতিরিক্ত জায়গা করে দিয়েছিল।

দেশম তার মাঝমাঠে চুয়ামেনি ও রাবিওকে নিয়ে যে ছক সাজিয়েছিলেন, তা স্পেনের ত্রিভুজাকৃতির মিডফিল্ডের সামনে ব্যর্থ হয়েছে। আক্রমণের চার তারকা যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দার মতো বলের সাপ্লাই চেইন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। স্পেন আলাদা করে এমবাপ্পে বা দেম্বেলেকে থামানোর চেষ্টা না করে বরং পুরো ফ্রান্সের খেলার ফ্রিডম কেড়ে নিয়েছে। এর ফলে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্সের আক্রমণভাগ বোতলবন্দি হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদির ছয় প্রদেশে সতর্কতা জারি, ইয়েমেনে হামলায় নিহত ৩

ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে বোতলবন্দি করে ফাইনালে স্পেন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণভাগকে কৌশলী জালে আটকে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে এবং ব্র্যাডলি বারকোলা—দিদিয়ে দেশমের দলের এই চার অস্ত্রকে কোনো সুযোগই দেয়নি স্প্যানিশরা। ম্যাচটি ছিল মূলত স্পেনের নিখুঁত কৌশলের কাছে ফ্রান্সের অসহায় আত্মসমর্পণের গল্প।

পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ৯০ মিনিটে এমবাপ্পে বল স্পর্শ করেছেন মাত্র ৩৭ বার এবং একটিও ক্লিয়ারকাট গোল করার সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের এক্সপেক্টেড গোল (এক্সজি) ছিল মাত্র ০.৩, যা এই বিশ্বকাপে তাদের সর্বনিম্ন। ম্যাচের ৮২ মিনিটের আগে ফ্রান্স একটিও শট অন টার্গেট নিতে পারেনি, যেখানে বদলি খেলোয়াড় দেজিরে দুয়ে প্রথমবার স্পেনের গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলেন।

স্পেনের এই সাফল্যের পেছনে ছিল তাদের সম্মিলিত দলীয় শক্তি। রদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বয়ে স্পেনের পজিশনাল প্রেস এবং পাঁচ সেকেন্ডের কাউন্টার প্রেস ফ্রান্সকে কোনো ছন্দ খুঁজে নিতে দেয়নি। ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা যখনই বল পেয়েছেন, তখনই তারা চারদিক থেকে লাল জার্সির বেষ্টনীতে আটকা পড়েছেন। এমবাপ্পে স্বীকার করেছেন যে, শুরু থেকেই তাদের প্রেসিং কাঠামো ভুল ছিল, যা স্পেনকে অতিরিক্ত জায়গা করে দিয়েছিল।

দেশম তার মাঝমাঠে চুয়ামেনি ও রাবিওকে নিয়ে যে ছক সাজিয়েছিলেন, তা স্পেনের ত্রিভুজাকৃতির মিডফিল্ডের সামনে ব্যর্থ হয়েছে। আক্রমণের চার তারকা যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দার মতো বলের সাপ্লাই চেইন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। স্পেন আলাদা করে এমবাপ্পে বা দেম্বেলেকে থামানোর চেষ্টা না করে বরং পুরো ফ্রান্সের খেলার ফ্রিডম কেড়ে নিয়েছে। এর ফলে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্সের আক্রমণভাগ বোতলবন্দি হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের।