লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণে রেকর্ড ১৩ লাখ আবেদন, নতুন নীতিমালার পরিকল্পনা

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হওয়ায় রেকর্ড ১৩ লাখ শিক্ষার্থী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে। এই বিপুল সংখ্যক আবেদনের বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে।

রাজধানীর বনানীতে শেরাটন হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠান শেষে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ বা গোল্ডেন এ-প্লাস পাওয়ার পরও খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাইছে, কারণ নম্বর ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে মূল্য যোগ করে। মন্ত্রী বলেন, এত বিপুল সংখ্যক উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তাই সরকার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে, যেখানে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আওতায় আসবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।

এতদিন পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে মূলত চারটি বিষয় দেখা হতো—প্রশ্নের নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বরের যোগফল সঠিক কি না, খাতার ভেতরের নম্বর ওএমআর শিটে ঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না এবং ওএমআর শিটে বৃত্ত সঠিকভাবে ভরাট করা হয়েছে কি না। এ ক্ষেত্রে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করে নতুন ফল প্রকাশ করা হতো, কিন্তু খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হতো না। তবে এবার নতুন পদ্ধতিতে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে পুরো খাতা পুনরায় যাচাই বা মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আখতারুজ্জামান জানান, আবেদনের শেষ সময় গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত ১৩ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে এই আবেদন গ্রহণ করা হয়।

এর আগে ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, কোনো শিক্ষার্থীকে ভুল নম্বর দেওয়া হলে বা প্রাপ্য নম্বর না দেওয়া হলে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেছিলেন, এবার আইনগতভাবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে এবং এজন্য রিভিউ কমিটি গঠন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগমগঞ্জে গায়ে হলুদে যাওয়ার পথে গুলিবর্ষণে ক্যামেরাম্যানসহ ৫ জন আহত

এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণে রেকর্ড ১৩ লাখ আবেদন, নতুন নীতিমালার পরিকল্পনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হওয়ায় রেকর্ড ১৩ লাখ শিক্ষার্থী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে। এই বিপুল সংখ্যক আবেদনের বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে।

রাজধানীর বনানীতে শেরাটন হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠান শেষে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ বা গোল্ডেন এ-প্লাস পাওয়ার পরও খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাইছে, কারণ নম্বর ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে মূল্য যোগ করে। মন্ত্রী বলেন, এত বিপুল সংখ্যক উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তাই সরকার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে, যেখানে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আওতায় আসবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।

এতদিন পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে মূলত চারটি বিষয় দেখা হতো—প্রশ্নের নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বরের যোগফল সঠিক কি না, খাতার ভেতরের নম্বর ওএমআর শিটে ঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না এবং ওএমআর শিটে বৃত্ত সঠিকভাবে ভরাট করা হয়েছে কি না। এ ক্ষেত্রে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করে নতুন ফল প্রকাশ করা হতো, কিন্তু খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হতো না। তবে এবার নতুন পদ্ধতিতে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে পুরো খাতা পুনরায় যাচাই বা মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আখতারুজ্জামান জানান, আবেদনের শেষ সময় গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত ১৩ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে এই আবেদন গ্রহণ করা হয়।

এর আগে ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, কোনো শিক্ষার্থীকে ভুল নম্বর দেওয়া হলে বা প্রাপ্য নম্বর না দেওয়া হলে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেছিলেন, এবার আইনগতভাবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে এবং এজন্য রিভিউ কমিটি গঠন করা হবে।