লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরিয়ার আবু আল-জুহুর সামরিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা, সন্দেহ ইসরায়েলের ওপর

উত্তর সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে অবস্থিত আবু আল-জুহুর সামরিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর এই কৌশলগত বিমানঘাঁটিটিতে এটিই প্রথম হামলার ঘটনা। হামলায় বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ধরন এবং প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বিশ্লেষণ করলে এটি ইসরায়েলের চালানো হামলা হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ইদলিব ভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক কামাল আবদো জানান, সিরিয়ার আকাশে সামরিক বিমান ব্যবহার করে এত বড় পরিসরে হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা ইরান বা তাদের মিত্রদের নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ার নিজস্ব কোনো কার্যকর বিমানবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় দেশটি তাদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে পারছে না। দামেস্ক বর্তমানে অস্ত্রের জন্য রাশিয়া ও তুরস্কের সাথে আলোচনা চালিয়ে গেলেও তীব্র আর্থিক সংকট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এই হামলার সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন ও তুর্কি প্রেসিডেন্টের মধ্যকার ফোনালাপ এবং সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে মার্কিন দূতের বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এই হামলাটি চালানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত তুরস্ক এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা পুরো অঞ্চলের গতিবিধির ওপর সতর্ক নজর রাখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করে ইরানের ড্রোন হামলা

সিরিয়ার আবু আল-জুহুর সামরিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা, সন্দেহ ইসরায়েলের ওপর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

উত্তর সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে অবস্থিত আবু আল-জুহুর সামরিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর এই কৌশলগত বিমানঘাঁটিটিতে এটিই প্রথম হামলার ঘটনা। হামলায় বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ধরন এবং প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বিশ্লেষণ করলে এটি ইসরায়েলের চালানো হামলা হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ইদলিব ভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক কামাল আবদো জানান, সিরিয়ার আকাশে সামরিক বিমান ব্যবহার করে এত বড় পরিসরে হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা ইরান বা তাদের মিত্রদের নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ার নিজস্ব কোনো কার্যকর বিমানবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় দেশটি তাদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে পারছে না। দামেস্ক বর্তমানে অস্ত্রের জন্য রাশিয়া ও তুরস্কের সাথে আলোচনা চালিয়ে গেলেও তীব্র আর্থিক সংকট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এই হামলার সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন ও তুর্কি প্রেসিডেন্টের মধ্যকার ফোনালাপ এবং সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে মার্কিন দূতের বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এই হামলাটি চালানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত তুরস্ক এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা পুরো অঞ্চলের গতিবিধির ওপর সতর্ক নজর রাখছে।