লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিভিন্ন শহরে মার্কিন হামলা, নিহত ৮

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। টানা ষষ্ঠ রাতের এই অভিযানে দেশটির বিভিন্ন শহরে অন্তত আটজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হামলায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, সামরিক রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে। সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মোতায়েন থাকা ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে এই ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বান্দার আব্বাসের একটি আবাসিক এলাকায় হামলায় একজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হরমোজগান প্রদেশের বান্দার খামিরের কাছে দুটি সেতুতে পৃথক হামলায় সাতজন নিহত ও নয়জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, কেশম দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলে চারটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং হরমোজগান প্রদেশের সিরিক এলাকাতেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। বান্দার আব্বাস-শিরাজ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। এ ছাড়া বান্দার আব্বাসের পশ্চিমে তিনটি এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরে দুটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বান্দার আব্বাসে হামলার লক্ষ্যবস্তু একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার হতে পারে, যদিও এর আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ফার্স নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন হামলায় মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে গারিভেহ ও কাহুরেস্তান সেতুও রয়েছে। এই সেতুগুলো ইরানের সামরিক চলাচল ও অভ্যন্তরীণ রসদ সরবরাহের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝুঁকিমুক্ত হয়নি সামষ্টিক অর্থনীতি, অর্থ বিভাগের জরুরি সভা ১ নভেম্বর

ইরানের বিভিন্ন শহরে মার্কিন হামলা, নিহত ৮

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। টানা ষষ্ঠ রাতের এই অভিযানে দেশটির বিভিন্ন শহরে অন্তত আটজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হামলায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, সামরিক রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে। সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মোতায়েন থাকা ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে এই ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বান্দার আব্বাসের একটি আবাসিক এলাকায় হামলায় একজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া হরমোজগান প্রদেশের বান্দার খামিরের কাছে দুটি সেতুতে পৃথক হামলায় সাতজন নিহত ও নয়জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, কেশম দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলে চারটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং হরমোজগান প্রদেশের সিরিক এলাকাতেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। বান্দার আব্বাস-শিরাজ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। এ ছাড়া বান্দার আব্বাসের পশ্চিমে তিনটি এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরে দুটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বান্দার আব্বাসে হামলার লক্ষ্যবস্তু একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার হতে পারে, যদিও এর আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ফার্স নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন হামলায় মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে গারিভেহ ও কাহুরেস্তান সেতুও রয়েছে। এই সেতুগুলো ইরানের সামরিক চলাচল ও অভ্যন্তরীণ রসদ সরবরাহের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।