লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সোমবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে ওয়াশিংটন। উইসকন্সিনের ওশকশে প্রতিরক্ষা খাতের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি বলেন, ইরানি সামরিক বাহিনী যদি সরাসরি মার্কিন বাহিনীর মুখোমুখি হয় কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে, তবে কাইনেটিক সামরিক হামলা পরিচালনায় পিছপা হবে না যুক্তরাষ্ট্র।

একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে সামরিক তৎপরতা ও সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা দেন তিনি। সামরিক হুমকির পাশাপাশি তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে সামরিক সক্ষমতা খর্ব করার পাশাপাশি ইরানি অর্থনীতিকে কোণঠাসা করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিকভাবে বাধ্য করে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত নতুন আলোচনায় ফিরিয়ে আনা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে নজিরবিহীন এক বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা থেকে ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ঘোষিত এই উদ্যোগকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নতুন এ পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমে মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তেহরান বিদ্যমান আর্থিক সংকট অস্বীকার করছে না, তবে জাতীয় ঐক্য ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই নতুন চাপ মোকাবিলা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সোমবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে ওয়াশিংটন। উইসকন্সিনের ওশকশে প্রতিরক্ষা খাতের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি বলেন, ইরানি সামরিক বাহিনী যদি সরাসরি মার্কিন বাহিনীর মুখোমুখি হয় কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে, তবে কাইনেটিক সামরিক হামলা পরিচালনায় পিছপা হবে না যুক্তরাষ্ট্র।

একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে সামরিক তৎপরতা ও সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা দেন তিনি। সামরিক হুমকির পাশাপাশি তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে সামরিক সক্ষমতা খর্ব করার পাশাপাশি ইরানি অর্থনীতিকে কোণঠাসা করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিকভাবে বাধ্য করে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত নতুন আলোচনায় ফিরিয়ে আনা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে নজিরবিহীন এক বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা থেকে ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ঘোষিত এই উদ্যোগকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নতুন এ পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমে মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তেহরান বিদ্যমান আর্থিক সংকট অস্বীকার করছে না, তবে জাতীয় ঐক্য ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই নতুন চাপ মোকাবিলা করা হবে।