লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা ও ডিমে অস্বস্তি

ঢাকার বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও স্বস্তি মিলছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের চড়া দাম এবং কিছু পণ্যের সরবরাহ সংকটে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্যাকেটজাত ময়দার দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও ৭০ টাকা ছিল। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৬০ টাকায় ঠেকেছে। চিনির বাজারেও অস্থিরতা স্পষ্ট। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে ভোজ্যতেলের বাজারেও। বাজারে এখন প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও চাহিদামতো বোতলজাত তেল মিলছে না অনেক দোকানে।

অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশির ভাগ সবজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে এটি প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের কেজি মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

তবে ডিম ও মুরগির বাজারে এখনো ক্রেতাদের বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হলেও পাড়া-মহল্লার দোকানে তা ১৬০ টাকা পর্যন্ত ঠেকছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সবজির দাম কমলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকে সময় দেওয়া প্রয়োজন, এখনই আন্দোলন-মিছিলের দরকার নেই: এ্যানি

সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা ও ডিমে অস্বস্তি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও স্বস্তি মিলছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের চড়া দাম এবং কিছু পণ্যের সরবরাহ সংকটে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্যাকেটজাত ময়দার দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও ৭০ টাকা ছিল। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৬০ টাকায় ঠেকেছে। চিনির বাজারেও অস্থিরতা স্পষ্ট। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে ভোজ্যতেলের বাজারেও। বাজারে এখন প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও চাহিদামতো বোতলজাত তেল মিলছে না অনেক দোকানে।

অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশির ভাগ সবজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে এটি প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের কেজি মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

তবে ডিম ও মুরগির বাজারে এখনো ক্রেতাদের বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হলেও পাড়া-মহল্লার দোকানে তা ১৬০ টাকা পর্যন্ত ঠেকছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সবজির দাম কমলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।