১১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ২০২৫: বিষাদ, প্রাপ্তি আর নতুন আশার আলো

নতুন বছরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ফিরে দেখলেন ফেলে আসা ২০২৫ সালকে। তার জন্য বছরটি ছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতির কোলাজ – বিষাদ, প্রাপ্তি আর ভবিষ্যতের জন্য একরাশ নতুন আশা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এক ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঋতুপর্ণা তার ব্যক্তিগত জীবনের গভীরতম অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এখনও প্রতিদিন মায়ের কথাই মনে পড়ে। ভাবতেই পারি না যে মানুষটা নেই। আর কোনোদিন দেখতে পাব না।” মায়ের অনুপস্থিতির এই যন্ত্রণা তাকে আজও বিচলিত করে তোলে। “সে যন্ত্রণাটা যখনই উপলব্ধি করি কষ্ট হয়। ভেঙে যায় ভিতরটা,” যোগ করেন তিনি। তবে, এই বিষাদের মাঝেই তিনি নতুন বছরের আগমনকে দেখছেন পরিবারের সান্নিধ্যে। “বছরের শেষ দিনটা এবার ভিয়েতনামে পরিবারের সঙ্গে কাটাব। একরাশ আশা নিয়ে যাতে এভাবেই বেঁধে বেঁধে থাকতে পারি,” দৃঢ় কণ্ঠে বলেন ঋতুপর্ণা।

পেশাগত জীবনেও কিছু প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব কষছেন অভিনেত্রী। তিনি শর্মিলা ঠাকুরের বাংলা সিনেমায় ১৪ বছর পর প্রত্যাবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “১৪ বছর পরে শর্মিলা ঠাকুরের এভাবে বাংলায় কাজ, আশা করেছিলাম স্বীকৃতি পাবে। মাঝেমধ্যে মন খারাপও হয়েছে।” একইসাথে, কিছু মানুষের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিশ্রুতির ভঙ্গ নিয়েও তার আক্ষেপ রয়েছে। “খুব কাছ থেকে অনেক মানুষের জন্য ভেবেছি, কিছু করার চেষ্টাও করেছি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই কথা রাখেনি এমন অভিজ্ঞতার সংখ্যাও নেহাতই কম নয়,” অকপটে জানান তিনি।

তবে, সবকিছু ছাপিয়ে ঋতুপর্ণার কণ্ঠে শোনা যায় ইতিবাচকতার সুর। নতুন বছরে ভালো কিছু করার অদম্য ইচ্ছা তার। “ভালো যা কিছু হবে সাদরে গ্রহণ করে নেব। আর ভালো ভালো কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের জন্য যেন ভালো কিছু করতে পারি। চারপাশের পরিবেশ খুব সেনসিটিভ,” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি শুধু নিজের নয়, সমাজের প্রতিও তার দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেন। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের এই উপলব্ধিগুলি তার জীবন ও পেশার প্রতি এক পরিপক্ক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ২০২৫: বিষাদ, প্রাপ্তি আর নতুন আশার আলো

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৪৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন বছরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ফিরে দেখলেন ফেলে আসা ২০২৫ সালকে। তার জন্য বছরটি ছিল এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতির কোলাজ – বিষাদ, প্রাপ্তি আর ভবিষ্যতের জন্য একরাশ নতুন আশা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এক ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঋতুপর্ণা তার ব্যক্তিগত জীবনের গভীরতম অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এখনও প্রতিদিন মায়ের কথাই মনে পড়ে। ভাবতেই পারি না যে মানুষটা নেই। আর কোনোদিন দেখতে পাব না।” মায়ের অনুপস্থিতির এই যন্ত্রণা তাকে আজও বিচলিত করে তোলে। “সে যন্ত্রণাটা যখনই উপলব্ধি করি কষ্ট হয়। ভেঙে যায় ভিতরটা,” যোগ করেন তিনি। তবে, এই বিষাদের মাঝেই তিনি নতুন বছরের আগমনকে দেখছেন পরিবারের সান্নিধ্যে। “বছরের শেষ দিনটা এবার ভিয়েতনামে পরিবারের সঙ্গে কাটাব। একরাশ আশা নিয়ে যাতে এভাবেই বেঁধে বেঁধে থাকতে পারি,” দৃঢ় কণ্ঠে বলেন ঋতুপর্ণা।

পেশাগত জীবনেও কিছু প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব কষছেন অভিনেত্রী। তিনি শর্মিলা ঠাকুরের বাংলা সিনেমায় ১৪ বছর পর প্রত্যাবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “১৪ বছর পরে শর্মিলা ঠাকুরের এভাবে বাংলায় কাজ, আশা করেছিলাম স্বীকৃতি পাবে। মাঝেমধ্যে মন খারাপও হয়েছে।” একইসাথে, কিছু মানুষের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিশ্রুতির ভঙ্গ নিয়েও তার আক্ষেপ রয়েছে। “খুব কাছ থেকে অনেক মানুষের জন্য ভেবেছি, কিছু করার চেষ্টাও করেছি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই কথা রাখেনি এমন অভিজ্ঞতার সংখ্যাও নেহাতই কম নয়,” অকপটে জানান তিনি।

তবে, সবকিছু ছাপিয়ে ঋতুপর্ণার কণ্ঠে শোনা যায় ইতিবাচকতার সুর। নতুন বছরে ভালো কিছু করার অদম্য ইচ্ছা তার। “ভালো যা কিছু হবে সাদরে গ্রহণ করে নেব। আর ভালো ভালো কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের জন্য যেন ভালো কিছু করতে পারি। চারপাশের পরিবেশ খুব সেনসিটিভ,” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি শুধু নিজের নয়, সমাজের প্রতিও তার দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেন। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের এই উপলব্ধিগুলি তার জীবন ও পেশার প্রতি এক পরিপক্ক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।