১০:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে বাড়ছে উদ্বেগ, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা বিশ্লেষকদের

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে বাড়ছে উদ্বেগ, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা বিশ্লেষকদের

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে সংযুক্ত থাকছে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারবিষয়ক গণভোট। এই দুই ঐতিহাসিক ভোটের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হাতে সময় রয়েছে মাত্র ৩৬ দিন। তবে ভোট যত কাছে আসছে, ততই বাড়ছে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে নানা আশঙ্কা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মব সন্ত্রাসের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নির্বাচনী পরিবেশকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এসব বিষয় ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত তাঁদের।
এছাড়া নির্বাচনের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে কালোটাকার প্রভাব, লুট হওয়া অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহার এবং কারাগার থেকে পালানো আসামিদের সক্রিয়তা। এসব অনিয়ন্ত্রিত উপাদান ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সরকারকে এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কার্যকর ও কৌশলগতভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।
সব মিলিয়ে, সামনে থাকা নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে একদিকে প্রত্যাশা, অন্যদিকে গভীর উদ্বেগ। এখন সরকারের সিদ্ধান্ত ও কার্যকর প্রস্তুতির ওপরই নির্ভর করছে ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে বাড়ছে উদ্বেগ, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা বিশ্লেষকদের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে বাড়ছে উদ্বেগ, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা বিশ্লেষকদের

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে সংযুক্ত থাকছে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারবিষয়ক গণভোট। এই দুই ঐতিহাসিক ভোটের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হাতে সময় রয়েছে মাত্র ৩৬ দিন। তবে ভোট যত কাছে আসছে, ততই বাড়ছে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে নানা আশঙ্কা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মব সন্ত্রাসের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নির্বাচনী পরিবেশকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এসব বিষয় ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত তাঁদের।
এছাড়া নির্বাচনের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে কালোটাকার প্রভাব, লুট হওয়া অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহার এবং কারাগার থেকে পালানো আসামিদের সক্রিয়তা। এসব অনিয়ন্ত্রিত উপাদান ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সরকারকে এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে কার্যকর ও কৌশলগতভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।
সব মিলিয়ে, সামনে থাকা নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে একদিকে প্রত্যাশা, অন্যদিকে গভীর উদ্বেগ। এখন সরকারের সিদ্ধান্ত ও কার্যকর প্রস্তুতির ওপরই নির্ভর করছে ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা।