লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ না পেয়ে পদত্যাগ ছাত্রদলের দুই নেতার

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ না পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের অ্যাকাউন্টে তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন পোগলদিঘা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মেহেদী হাসান রিংকু এবং দপ্তর সম্পাদক ইবনে হাসান। জানা গেছে, তারা উভয়ই ওই পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন।

পদত্যাগের কারণ হিসেবে ইবনে হাসান ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়কে দায়ী করেছেন। তবে মেহেদী হাসান রিংকু ভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতা জানান, সংগঠনের ভেতর কর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির কারণেই তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন। রিংকু বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকলেও বর্তমানে কাজের পরিবেশ না থাকায় তিনি থাকতে পারছেন না।

ঘটনার বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাসুদ রানা চপল জানান, দুই নেতার পদত্যাগের বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই হয়তো তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এই ঘটনা স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও সুযোগ নিশ্চিত করাই দেশের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করা

ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ না পেয়ে পদত্যাগ ছাত্রদলের দুই নেতার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ না পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের অ্যাকাউন্টে তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন পোগলদিঘা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মেহেদী হাসান রিংকু এবং দপ্তর সম্পাদক ইবনে হাসান। জানা গেছে, তারা উভয়ই ওই পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন।

পদত্যাগের কারণ হিসেবে ইবনে হাসান ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়কে দায়ী করেছেন। তবে মেহেদী হাসান রিংকু ভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতা জানান, সংগঠনের ভেতর কর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির কারণেই তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন। রিংকু বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকলেও বর্তমানে কাজের পরিবেশ না থাকায় তিনি থাকতে পারছেন না।

ঘটনার বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাসুদ রানা চপল জানান, দুই নেতার পদত্যাগের বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই হয়তো তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এই ঘটনা স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।