লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ

গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ মামুনুর রশীদ : মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে পরীক্ষার নামে আইওয়াশ করে পছন্দের প্রার্থীকে সিলেকশনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেনসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শত শত প্রার্থী।

অভিযোগকারীদের দাবি, যদি শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট প্রার্থী সিলেকশনের মাধ্যমেই নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে প্রায় এক হাজারের বেশি প্রার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর প্রয়োজন ছিল না। এতে পরীক্ষার্থীদের সময় ও যাতায়াত খরচ দুটোই অপচয় হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, যোগ্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও কোনো কোনো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে একজনকেও নির্বাচিত করা হয়নি। আবার কোনো কোনো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি প্রার্থী নির্বাচনের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া দলীয় নেতাদের সুপারিশ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পছন্দের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগও করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
এমনকি লিখিত পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কারও কারও নাম চূড়ান্ত তালিকায় এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীদের কেউ কেউ।

নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ধানখোলা ইউনিয়ন থেকে সুপারভাইজার পদে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সজিব ও মহিবুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন ধানখোলা বড় একটা ইউনিয়ন হওয়া সত্ত্বেও ধানখোলা থেকে একজনও সুপারভাইজার নির্বাচিত না হওয়া হতাশাজনক। তাদের দাবি, যদি সিলেকশনের মাধ্যমেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়, তাহলে পরীক্ষার নামে উপজেলা প্রশাসন পরীক্ষার্থীদের সাথে তামাশা না করলেও পারতো।
তাদের ভাষ্য, পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাইয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সে নিয়ম মেনে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়নি, যা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে বড়ই অন্যায়।

এদিকে গাংনীর ছাত্রদল নেতা নাইমুর রহমানও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এদিকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আরও শত শত প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীও তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছেন, এবং তাদের অভিযোগ চূড়ান্ত তালিকায় আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্যদের মধ্য থেকে প্রার্থী নির্বাচনের ঘটনাও ঘটেছে।

অভিযোগের বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার সাথে চীনের নৌমহড়ার পরিকল্পনায় তাইওয়ানের তীব্র নিন্দা

গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ মামুনুর রশীদ : মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে পরীক্ষার নামে আইওয়াশ করে পছন্দের প্রার্থীকে সিলেকশনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেনসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শত শত প্রার্থী।

অভিযোগকারীদের দাবি, যদি শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট প্রার্থী সিলেকশনের মাধ্যমেই নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে প্রায় এক হাজারের বেশি প্রার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর প্রয়োজন ছিল না। এতে পরীক্ষার্থীদের সময় ও যাতায়াত খরচ দুটোই অপচয় হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, যোগ্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও কোনো কোনো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে একজনকেও নির্বাচিত করা হয়নি। আবার কোনো কোনো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি প্রার্থী নির্বাচনের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া দলীয় নেতাদের সুপারিশ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পছন্দের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগও করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
এমনকি লিখিত পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কারও কারও নাম চূড়ান্ত তালিকায় এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীদের কেউ কেউ।

নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ধানখোলা ইউনিয়ন থেকে সুপারভাইজার পদে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সজিব ও মহিবুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন ধানখোলা বড় একটা ইউনিয়ন হওয়া সত্ত্বেও ধানখোলা থেকে একজনও সুপারভাইজার নির্বাচিত না হওয়া হতাশাজনক। তাদের দাবি, যদি সিলেকশনের মাধ্যমেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়, তাহলে পরীক্ষার নামে উপজেলা প্রশাসন পরীক্ষার্থীদের সাথে তামাশা না করলেও পারতো।
তাদের ভাষ্য, পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাইয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সে নিয়ম মেনে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়নি, যা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে বড়ই অন্যায়।

এদিকে গাংনীর ছাত্রদল নেতা নাইমুর রহমানও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এদিকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আরও শত শত প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীও তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছেন, এবং তাদের অভিযোগ চূড়ান্ত তালিকায় আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্যদের মধ্য থেকে প্রার্থী নির্বাচনের ঘটনাও ঘটেছে।

অভিযোগের বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব হয়নি।