লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্চের নিন্দা খেলাফত মজলিসের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে বুধবার রাতে উচ্চশব্দে গানবাজনার প্রতিবাদ করতে যাওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্চ ও ছররা গুলি নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।

এ ঘটনাকে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রতিশোধমূলক অপচেষ্টা আখ্যায়িত করে তিনি দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে নয়, পরীক্ষার প্রস্তুতির স্বার্থে উচ্চশব্দে গানবাজনা বন্ধ বা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ জানাতে সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের কথা শোনার পরিবর্তে পুলিশের একটি অংশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করেছে। এতে কিশোর ও শিশু শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয়েছে। পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রতি আনুগত্যশীল কোনো গোষ্ঠী এখনও সক্রিয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করতে হবে। দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত বরখাস্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বে থাকা পুলিশ লাইনের ইনচার্জের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্চের নিন্দা খেলাফত মজলিসের

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে বুধবার রাতে উচ্চশব্দে গানবাজনার প্রতিবাদ করতে যাওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্চ ও ছররা গুলি নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।

এ ঘটনাকে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রতিশোধমূলক অপচেষ্টা আখ্যায়িত করে তিনি দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে নয়, পরীক্ষার প্রস্তুতির স্বার্থে উচ্চশব্দে গানবাজনা বন্ধ বা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ জানাতে সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের কথা শোনার পরিবর্তে পুলিশের একটি অংশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করেছে। এতে কিশোর ও শিশু শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয়েছে। পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রতি আনুগত্যশীল কোনো গোষ্ঠী এখনও সক্রিয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করতে হবে। দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত বরখাস্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বে থাকা পুলিশ লাইনের ইনচার্জের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।