লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং বন্দরসংলগ্ন এলাকায় ভূমিধসের কারণে একটি নতুন হ্রদ তৈরি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ পানি জমে থাকা এই হ্রদটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেকোনো সময় বড় ধরনের আকস্মিক বন্যা ও কাদার ঢল নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, আগের একটি ভূমিধসের ফলে তৈরি হওয়া বিশাল গর্তে পানি জমে এই নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। নেপালের ভূখণ্ডে অবস্থিত এই হ্রদটিতে ইতিমধ্যে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। হ্রদটি দ্রুত বড় হচ্ছে এবং এর পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।

চীনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গিরং কাউন্টিতে আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশ করতে পারে। অতিরিক্ত পানির চাপে ভূমিধসে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক বাঁধটি ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর তীব্র বেগে নিচের দিকে নেমে আসবে, যা আগের চেয়েও ভয়াবহ বন্যা ডেকে আনতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকার কারণে ওই অঞ্চলে উদ্ধার তৎপরতা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। চীনা সামরিক বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডের কর্মকর্তা চেন শি জানিয়েছেন, খাড়া পাহাড়ের কিনারা ঘেঁষে রাস্তা তৈরি হওয়ায় পাহাড়ি ঢাল যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। একই সঙ্গে নতুন করে কাদার ঢল নামার ঝুঁকিও রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক বাহিনীর কয়েকটি ইউনিটকে কমান্ড সেন্টারে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা যায়। বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি নতুন বিপর্যয় এড়াতে হ্রদের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫২আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫৩

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন হ্রদ নিয়ে চীনের কড়া সতর্কতা

নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-চীন সীমান্তের গিরং বন্দরসংলগ্ন এলাকায় ভূমিধসের কারণে একটি নতুন হ্রদ তৈরি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ পানি জমে থাকা এই হ্রদটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেকোনো সময় বড় ধরনের আকস্মিক বন্যা ও কাদার ঢল নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, আগের একটি ভূমিধসের ফলে তৈরি হওয়া বিশাল গর্তে পানি জমে এই নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। নেপালের ভূখণ্ডে অবস্থিত এই হ্রদটিতে ইতিমধ্যে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। হ্রদটি দ্রুত বড় হচ্ছে এবং এর পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।

চীনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গিরং কাউন্টিতে আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশ করতে পারে। অতিরিক্ত পানির চাপে ভূমিধসে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক বাঁধটি ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর তীব্র বেগে নিচের দিকে নেমে আসবে, যা আগের চেয়েও ভয়াবহ বন্যা ডেকে আনতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকার কারণে ওই অঞ্চলে উদ্ধার তৎপরতা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। চীনা সামরিক বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডের কর্মকর্তা চেন শি জানিয়েছেন, খাড়া পাহাড়ের কিনারা ঘেঁষে রাস্তা তৈরি হওয়ায় পাহাড়ি ঢাল যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। একই সঙ্গে নতুন করে কাদার ঢল নামার ঝুঁকিও রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক বাহিনীর কয়েকটি ইউনিটকে কমান্ড সেন্টারে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা যায়। বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি নতুন বিপর্যয় এড়াতে হ্রদের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫২আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫৩