লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুঘল সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। মধ্য এশিয়ার শাসক জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এই যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন। বাবর ছিলেন চেঙ্গিস খান ও তিমুরের বংশধর। তার এই বিজয়ের পেছনে কামানের কার্যকর ব্যবহার এবং উন্নত সামরিক কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

বাবরের মৃত্যুর পর তার পুত্র হুমায়ূন সিংহাসনে আরোহণ করেন। পরবর্তীতে হুমায়ূনের ছেলে আকবর মুঘল সাম্রাজ্যকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করেন। আকবরের শাসনামলে প্রশাসন, রাজস্বব্যবস্থা এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার ও পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, শাহজাহান ও আওরঙ্গজেবের শাসনামলে মুঘল সাম্রাজ্য ভৌগোলিক সীমানায় আরও প্রসারিত হয়। শাহজাহানের আমলে নির্মিত তাজমহল আজও সেই সমৃদ্ধ যুগের অন্যতম প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে মুঘলদের গভীর প্রভাব বিদ্যমান ছিল। তবে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করলে মুঘল সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন হ্রদ নিয়ে চীনের কড়া সতর্কতা

মুঘল সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। মধ্য এশিয়ার শাসক জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এই যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন। বাবর ছিলেন চেঙ্গিস খান ও তিমুরের বংশধর। তার এই বিজয়ের পেছনে কামানের কার্যকর ব্যবহার এবং উন্নত সামরিক কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

বাবরের মৃত্যুর পর তার পুত্র হুমায়ূন সিংহাসনে আরোহণ করেন। পরবর্তীতে হুমায়ূনের ছেলে আকবর মুঘল সাম্রাজ্যকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করেন। আকবরের শাসনামলে প্রশাসন, রাজস্বব্যবস্থা এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার ও পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, শাহজাহান ও আওরঙ্গজেবের শাসনামলে মুঘল সাম্রাজ্য ভৌগোলিক সীমানায় আরও প্রসারিত হয়। শাহজাহানের আমলে নির্মিত তাজমহল আজও সেই সমৃদ্ধ যুগের অন্যতম প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে মুঘলদের গভীর প্রভাব বিদ্যমান ছিল। তবে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে ক্ষমতাচ্যুত করলে মুঘল সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে।