লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কঠোর শর্ত ও কড়াকড়ি

সিলেট বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন কঠোর নীতিমালা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে এই সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়, যেখানে বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন শর্ত ও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকরির দুই বছর পূর্ণ না করলে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পুনরায় বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না। বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; কোনো বিদ্যালয়ে শূন্য পদ না থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ থাকবে না।

শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার চেয়ে কম শিক্ষক কর্মরত আছেন অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে বদলি করা যাবে না। তবে কোনো শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া তাকে নিজ বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন।

নারী শিক্ষকদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা তাদের স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবে এবং আবেদনকারীর তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদন সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মহাপরিচালকের মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন শর্তগুলোর মাধ্যমে বদলির ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ, আগের বদলির সময়কাল এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংখ্যাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল ধরে রাখা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন হ্রদ নিয়ে চীনের কড়া সতর্কতা

সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কঠোর শর্ত ও কড়াকড়ি

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন কঠোর নীতিমালা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে এই সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়, যেখানে বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন শর্ত ও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকরির দুই বছর পূর্ণ না করলে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পুনরায় বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না। বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; কোনো বিদ্যালয়ে শূন্য পদ না থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ থাকবে না।

শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার চেয়ে কম শিক্ষক কর্মরত আছেন অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে বদলি করা যাবে না। তবে কোনো শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া তাকে নিজ বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন।

নারী শিক্ষকদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা তাদের স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবে এবং আবেদনকারীর তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদন সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মহাপরিচালকের মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন শর্তগুলোর মাধ্যমে বদলির ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ, আগের বদলির সময়কাল এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংখ্যাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল ধরে রাখা সম্ভব হয়।