লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে হাসপাতালে হামলা, আহত দুই চিকিৎসক

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া এক শিশুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে সহিংস হামলায় রূপ নেয়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু রাফি (৩) উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পানিতে ডুবে যাওয়া শিশু রাফিকে গুরুতর অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বজনরা। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্বজন ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি জরুরি বিভাগে ঢুকে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের ১১ নম্বর কক্ষসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।

পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে ডা. আব্দুস সামাদ ও ডা. জান্নাতুল রিয়া নামের দুই চিকিৎসক আহত হন। এ বিষয়ে ডা. জান্নাতুল রিয়া বলেন, স্বজনদের ক্ষোভকে তারা সহানুভূতির সঙ্গেই দেখেন, তবে জরুরি সেবাকেন্দ্রে এমন হামলা ও ভাঙচুর চিকিৎসা কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুল আজিজ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। হাসপাতালের মতো জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলায় স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

লামা প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বে কামরুজ্জামান ও আরমান

কুষ্টিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে হাসপাতালে হামলা, আহত দুই চিকিৎসক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া এক শিশুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে সহিংস হামলায় রূপ নেয়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু রাফি (৩) উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পানিতে ডুবে যাওয়া শিশু রাফিকে গুরুতর অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বজনরা। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্বজন ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি জরুরি বিভাগে ঢুকে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের ১১ নম্বর কক্ষসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।

পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে ডা. আব্দুস সামাদ ও ডা. জান্নাতুল রিয়া নামের দুই চিকিৎসক আহত হন। এ বিষয়ে ডা. জান্নাতুল রিয়া বলেন, স্বজনদের ক্ষোভকে তারা সহানুভূতির সঙ্গেই দেখেন, তবে জরুরি সেবাকেন্দ্রে এমন হামলা ও ভাঙচুর চিকিৎসা কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুল আজিজ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। হাসপাতালের মতো জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলায় স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।