লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন ও ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে আজ এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়, যা 'চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬' নামে অভিহিত করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীরা বকেয়া বেতনসহ বর্ধিত সুবিধাদি পাবেন।

নতুন প্রজ্ঞাপনের নিয়ম অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বাড়তি মূল বেতন পাবেন। এই বাড়তি অংশ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির এই হার শতভাগ কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতনকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য সব ভাতা প্রদান শুরু হবে। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সব সুবিধা পাবেন। নতুন বেতন কাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য যে, গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন পায়। বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এছাড়া, অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুটিংয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে কাঁধে চোট পেলেন রাচিন

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন ও ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে আজ এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়, যা 'চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬' নামে অভিহিত করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীরা বকেয়া বেতনসহ বর্ধিত সুবিধাদি পাবেন।

নতুন প্রজ্ঞাপনের নিয়ম অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বাড়তি মূল বেতন পাবেন। এই বাড়তি অংশ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির এই হার শতভাগ কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতনকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য সব ভাতা প্রদান শুরু হবে। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সব সুবিধা পাবেন। নতুন বেতন কাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য যে, গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন পায়। বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এছাড়া, অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল।